শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন মান্দার শিশুগাড়ী বিল ইজারা নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার

আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২২, ৯:৩২ অপরাহ্ণ

মান্দা প্রতিনিধি:


নওগাঁর মান্দায় মৎস্যজীবী সেজে শিশুগাড়ী বিল ইজারা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রায়হান কবির নামে এক শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও কল্পকাহিনী সাজিয়ে বিভিন্নভাবে হেনস্তার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মৎস্যজীবী সমিতির এক নেতা। মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার কাঁঠালতলী মোড়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি।

শিক্ষক রায়হান কবির উপজেলার চকদেবীরাম গ্রামের বাসিন্দা ও রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শিশুগাড়ী বিল ইজারার জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে দরপত্র আহবান করা হলে চকদেবীরাম মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি ও চেরাগপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি দরপত্র দাখিল করে। বিলটি ইজারা নেয়ার জন্য মৎস্যজীবী সেজে আমি আবেদন করেছি এমন অভিযোগ এনে অপপ্রচারে লিপ্ত হন চকদেবীরাম মৎস্যজীবী সমিতির নেতা ওহিদুল ইসলাম।

শিক্ষক রায়হান কবির দাবি করেন, তিনি মৎস্যজীবী নন, মৎস্যজীবীদের কোনো সমিতির সঙ্গেও তাঁর সংশ্লিষ্টতা নেই। সরকারি জলমহাল ইজারা নিতে নীতিমালার আলোকে মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদকরা দরপত্র দাখিল করতে পারেন, অন্য কেউ নয়। অথচ আমার বিরুদ্ধে এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে মৎস্যজীবীদের ওই নেতা গত রোববার রামনগর এলাকায় মানববন্ধনের আয়োজন করে আমাকে হেনস্তা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক রায়হান কবিরের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে আরও বক্তব্য দেন চকদেবীরাম গ্রামের আব্দুল হামিদ ও আবু তালেব, চকভোলাই গ্রামের সাজ্জাদ আহমেদ ও হজরত আলী।

এ প্রসঙ্গে চকদেবীরাম মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি ওহিদুল ইসলাম বলেন, শিশুগাড়ী বিল ইজারা নেওয়ার জন্য শিক্ষক রায়হান কবির চোরাগপুর মৎস্যজীবী সমিতির উপদেষ্টা সেজে দরপত্র দাখিল করেন। বিষয়টি জানার পর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছি।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম বলেন, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে শিক্ষক রায়হান কবির চেরাগপুর সমিতির উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। বিল ইজারা নেওয়ার বিষয়ে তাঁর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ