শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় রাবি ছাত্রলীগের ৫ নেতাকর্মীর শাস্তি

আপডেট: ডিসেম্বর ১০, ২০২৩, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ


রাবি প্রতিবেদক:


আবাসিক হলে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রলীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে শাস্তির আওতায় এনেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রশাসন। এদের মধ্যে চারজনকে হল থেকে বহিষ্কার এবং একজনকে মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। রোববার (১০ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আব্দুস সালাম তথ্যটি জানিয়েছেন।
তিনি জানান, তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রেজিস্ট্রারের দাপ্তরিক আদেশের তথ্যমতে, আবাসিক শিক্ষার্থী না হওয়ার সত্ত্বেও শহীদ হবিবুর রহমান হলে অবস্থান এবং শৃঙ্খলাপরিপন্থী কার্যক্রমে জড়ানোর অপরাধে চারুকলা অনুষদের ইমরান, আরবি বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী আমির হামজা ও নাজিম হোসাইনকে হল হতে অপসারণ এবং নিজেদের সংশ্লিষ্ট হল হতে বহিষ্কার করা হয়।

একই অপরাধে ফাইন্যান্স বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী সাজিদ হাসান সম্রাটকে শহীদ হবিবুর রহমান হল থেকে বহিষ্কার এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনিস্টিউটের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী আল আমিনকে মুচলেকা নিয়ে চূড়ান্তভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা সংবলিত একটি অফিস আদেশ পেয়েছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে কাজ চলছে।

এরআগে, গত ২৬ নভেম্বর মধ্যরাতে শহীদ হবিবুর রহমান হলে উচ্চশব্দে গান বাজনাতে নিষেধ করায় দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী শাহাদত হোসেনকে মারধর করেন আকাশ, ইমরান ও সম্রাট। ঘটনার চলাকালে বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি রায়হান ইসলাম উভয়পক্ষকে থামাতে গেলে তার ওপর চড়াও হন এবং মারধর করেন ইমরান ও সম্রাট, আমীর হামজা, নাজিমসহ অন্যরা। তারা সবাই হল ছাত্রলীগের সহসভাপতি আল আমিনের অনুসারী ও ছাত্রলীগকর্মী। এ ঘটনায় হলের আবাসিক শিক্ষক ড. গৌতম দত্তকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পান কমিটি এবং কিছু সুপারিশসহ এই প্রতিবেদন শৃঙ্খলা কমিটিতে দেন। সেই প্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ