শিবগঞ্জের বিভিন্ন বাজার লকডাউনে || দিয়াড় ও সীমান্ত এলাকায় নেই কোনো তৎপরতা

আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২০, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ

শিবগঞ্জ প্রতিনিধি


করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টিতে শিবগঞ্জে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মনাকষা বাজারসহ কয়েকটি বাজারে চলছে লকডাউন। সন্ধ্যার পর থেকে বিভিন্ন বাজারসহ গ্রাম অঞ্চল হয়েছে জনশূন্য। রোববার (১২ এপ্রিল) হাটবার হলেও মনাকষা বাজারে খুলেনি দোকান পাট। এমনকি কাঁচামালের দোকান ছিল বন্ধ। সরজমিনে দেখা গেছে, মনাকষা বাজারে গ্রাম পুলিশ জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে একদল গ্রাম পুলিশ ও আনসার মনাকষা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা জুড়ে টহল দিচ্ছে। সঙ্গে মাইকিংও চলছে। একই চিত্র বিনোদপুরের খাসের হাট, শ্যামপুরের চামা বাজার, দাদনচক বাজার, শিবগঞ্জ বাজার, কানসাট বাজার, আব্বাস বাজার সহ উপজেলার প্রায় সদর অঞ্চলের সবকটি বাজারের ।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় গ্রামে সন্ধ্যার পরপরই লোক যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে। রাস্তার আশে পাশে বন্ধ হয়েছে লোক সমাগম। তবে বেশ কিছু গ্রামের চায়ের দোকানদাররা কৌশলে বাড়িতে চা তৈরি করে বেশ কিছু লোকের সমাগম ঘটিয়ে চা বিক্রি করছে।
তবে মনাকষা, দূর্লভপুর, পাকা. উজিরপুর ইউনিয়নের বিশেষ করে দিয়াড় এলাকায় এবং মনাকষা, বিনোদপুর, শাহাবাজপুর ও পাকা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় করোন ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টিতে কোন কান পদক্ষেপই কাজে লাগছে।
এ ব্যাপারে থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও এনজিও ফোরামের সভাপতি তোহিদুল আলম টিয়া বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতন হওয়া নিজ নিজ দায়িত্ব। তারপর বিশেষ করে দিয়াড় ও সীমান্ত এলাকায় এখনো গণসচেততনা সৃষ্টি না হওয়াটা অত্যন্ত দুঃখজনক। এক্ষেত্রে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাদের উচিত নিজ নিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে শতভাগ গণসচেতনতা সৃষ্টি করা।
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গণসচেতনতা সৃষ্টিতে উপজেলা মনিটরিং টিমের সদস্য ও উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস বলেন, আমরা ইতোমধ্যে উপজেলার প্রতিটি অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে মানুষকে সচেতন হতে বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিয়েছি। গ্রাম পুলিশ ও আনসারদের নিজ নিজ এলাকায় দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। উপজেলার প্রায় সব অঞ্চলেই সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। বৃহত্তর দিয়াড় এলকায় গণসচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে তিনি বলেন, আমরা দিয়াড় এলাকার কয়েকটি অঞ্চলে হাট বাজার বন্ধ করেছি। গণজমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তারপরও তারা সচেতন না হলে আমরা আবার্ োএলাকায় যাবো এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে সচেতন হতে বাধ্য করবো। কোন ক্রমেই ছাড় দেয়া হবে না।