শিবগঞ্জে অবৈধ মুরগির খামারে পরিবেশ দূষিত প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগে এলাকাবাসী আবেদন

আপডেট: অক্টোবর ১৬, ২০২১, ১:২৮ অপরাহ্ণ


শিবগঞ্জ(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)সংবাদদাতা:


শিবগঞ্জে অবৈধভাবে মুরগির খামার বসিয়ে পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি করেছে। খামারের মুরগির বিষ্টা/ ময়লার দুর্গন্ধে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে। প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেছে এলাকাবাসী। গত ১৩ অক্টোাবরে এলাকাবাসীর পক্ষে সাবান আলি ও আরো ৩০ জন স্বাক্ষরিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বরাবর আবেদন সূত্রে জানা গেছে, শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের উপরটোলা গ্রামের নুরুল হোদার ছেলে খাইরুল ইসলাম, তার নিজ বাড়ির পিছনে বিরাট আকারে একটি মুরগির খামার বসিয়েছে। কিন্তু মুরগির বিষ্টা / ময়লা ফেলার জন্য কোনো নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি না করে যত্রতত্র ময়লা /বিষ্ঠা ফেলে পরিবেশ দূষণ করছে। দুর্গন্ধে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে। এলাকাবাসী খাইরুল

ইসলামকে কয়েকবার অনুরোধ করেও কোনো লাভ হয়নি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে বিরাট আকারের খামারে প্রায় সাড়ে ২১শো মুরগি আছে। মুরগির বিষ্টা/ময়লার দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষণের চিত্র ফুটে উঠেছে। আইরিন বেগম, আলেপনুর বেগম, ডয়লী বেগম, সহকারী অধ্যাপক জুয়েল, কালু সহ এলাকার প্রায় ৫০/৬০ জন নারী পুরুষের অভিযোগ তাদের খামারের বিষ্টার দুর্গন্ধে এলকায় বাসা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমরা এর প্রতিকার চাই। খামারের মালিক খাইরুল ইসলামরে সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা ১১ জন বেকার যুবক মিলে খামারটি বসিয়েছি। আমরা প্রথমতঃ নীতিমালা সস্পর্কে কিছু বুঝতাম না। আমরা খুব শিগগিরই নীতিমালা অনুযায়ী প্রাণিসম্পদের অনুমোদন নিব। পরিবেশ দুষণের ক্ষেত্রে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বর্ষার কারণে আমরা বিষ্ঠা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গ করা হয়নি। তবে বিষ্ঠা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা করার চেষ্টা করবো। উপজেলাা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রণজিৎ চন্দ্র কুমার বলেন, পূজার ছুটিতে আছি। অফিসে গিয়ে তাদের আবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে নীতিমালা বহির্ভুত খামার তুলে নেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করনো। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বী জানান, আবেদন এখনো পাইনি। আবেদন হাতে পেলেই সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।