শিবগঞ্জে কমছে না জনাসমাবেশ

আপডেট: March 26, 2020, 3:14 pm

শিবগঞ্জ প্রতিনিধি


মনাকষা পোল্ট্রি বাজারে ক্রেতাদের ভীড়। ছবিটি আজ সাকলে তোলা-সোনার দেশ

শিবগঞ্জের প্রশাসন তৎপর থাকার পরেও হাট বাজারগুলো জনসমাবেশ কমছে না। সাধারণ বাজারের মতো মানুষের চলাফেরা রয়েই গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে মনাকষাসহ বিভিন্ন বাজারের ঘুরে দেখা গেছে অনেক দোকান বন্ধ থাকলে প্রয়োজন ছাড়াই কিছু দোকান খোলা থাকছে। কিছু কিছু দোকানে বেচাকেনা স্বাভাবিক ও ৫ এর অধিক লোকজন রয়েছে।
সকালে মনাকষা বাজারের বিভিন্না এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ফাঁকা দোকানগুলোতে লোকজন বসে গল্প করছে। পোল্ট্রি বাজারে মানুষ লাইন ধরে কিনছে। পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা মাইকিং দাম কমে পোল্ট্রি বিক্রিতে প্রতিযোগিতা শুরু করেছে।
মাছের বাজারেও একই অবস্থা। পোল্ট্র্রি বাজারের স্থানে স্থানে পোল্ট্রির ময়লারস স্তুপ জমে আছে। তরিকারী পট্টিতে আরো ভীড়। এখানে কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকায় মানুষ সেখানেই বিনা প্রয়োজনে ভীড় জমাচ্ছে। একই অবস্থা উপজেলার প্রায় সব হাট বাজারে।
সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ পর্যন্ত পুলিশসহ বিভিন্ন প্রশাসন বিভিন্নভাবে প্রচার অভিযান চালালে এ বাজারগুলোতে উল্লেখযোগ্য ভাবে ভীড় কমছে না। ফলে প্রতিটি মানুষের জীবনের ঝুঁকি বাড়ছে। এমনকি যারা বিদেশ বা দূর দূরান্ত থেকে বাড়ি ফিরে এসেছে প্রশাসনের দৃষ্টি এড়াতে গা ঢাকা দিয়ে চলাফেরা করছে।
এদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশসহ বিভিন্ন প্রশাসন একাধিকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছে। আজ সকালে মনাকষা বাজারে মানুষের ভীড় দেখে উপজেলা বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগের সভাপতি জিয়াউল হক জিয়া, মনাকষা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মাহবুবুর রহমান মিজানের উদ্যোগে ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশদের সঙ্গে নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালান। তাতে সাময়িকভাবে ভীড় কিছুটা কমলেও আবারো মানুষ নিজের গতিতে চলছে। একইভােেব অন্যান্য ইউনিয়নে একইভাবে প্রচার অভিযান চলছে। তবে সাধারণ মানুষের মন্তব্য পুলিশ ও র‌্যাবের দল একটু বেশী বেশী টহল দিলে ভাল হতো।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল আখতারের সাথে যোগযোগের জন্য ০১৭৮০৬৯২৬৯৩নম্বরে একাাধিক বার চেষ্টা করেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
শিবগঞ্জ থানার ওসি শামুল আলম শাহ্ বলেন, যা পারেন লিখেন আমি আপনাদের কোন মন্তব্য দিবো না। তবে সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল বলেন, আমরা জনসচেতন করতে বিভিন্ন প্রশাসন ও দলীয় লোকজনের নিয়ে ব্যাপক প্রচার অভিযান চালাচ্ছি। সর্বত্র মাইকিং করা হয়েছে। যাতে লোকজন বাড়ির বাইরে না যায়। বিদেশ থেকে আসা লোকজনকে যেন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকে। দূরত্ব বজায় রেখে চলা ফেরা করে। আমরা অনেকটা সফল হয়েছি। আশা করি শীঘ্রই স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে।