শিবগঞ্জে কিশোর ও তার পরিবারের সদস্যদের হয়রানির অভিযোগ

আপডেট: জুন ২৩, ২০১৭, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ

শিবগঞ্জ প্রতিনিধি


পূর্ব শত্রুতার জের ধরে  মিথ্যা মামলায়  ১৪ বছরের এক কিশোর  ,তার ভাই ও পিতাকে  চয়ম হয়রানী করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকার সংবাদ মাধ্যমের সাহায্যে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামন করেছেন হয়রানীর শিকার ওই কিশোরের  পিতা।
ঘটনাটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের । হয়রানীর শিকার ওই গ্রামের কামাল উদ্দিন ও তার দুই ছেলে সোহেল(১৪) ও সুমনসহ দশ-বারোজন।
কামাল উদ্দিনের স্বাক্ষরিত একটি আবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৬ জুন মনোহরপুর গ্রামের খাইরুল ইসলাম পারিবারিক কলহের জের ধরে তার মেয়ে শীমফুলকে মারধর করলে অভিমানে তার পরের দিন ১৭ জুন দুপুরে সবার অজান্তে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে শীমফুল। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে খাইরুল ও তার পরিবার গ্রামের মসজিদের মাইকে তার মেয়ে বিদ্যূতায়িত হয়ে মারা গেছে এবং রাত ১০টায় জানাজা শেষে নামোজগনাথপুর গোরস্থানে দাফন করা হবে বলে প্রচার করে। কিন্ত ঘটনাটি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে আসলে নিজের বাঁচার জন্য আত্মহত্যাকারী শীমফুলের পিতা খাইরুল এ থানায় অভিযোগ দেয় যে শীমফুলের সাথে সোহেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এক পর্যায় শীমফুল অন্তসত্ত্বা হলে সোহেলকে বিয়ের করার জন্য চাপ দিলে সোহেল ও তার পরিবার শীমফুলকে অপমান  করে ফিরিয়ে দেয় এতে অভিমানে শীমফুল অত্মহত্যা করে। এ অভিযোগ অস্বীকার করে সোহেল জানায় শীমফুলের সাথে তার কোন প্রেমের সম্পর্ক ছিল না এবং তার সাথে আমার দৈহিক সম্পর্ক হয় নি। বিয়ের চাপ প্রয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, খাইরুল ও তার পরিবারের কেউ বিয়ের কোন প্রস্তাব নিয়ে যায় নি। সরেজমিনে গেলে সাবেক  ইউপি সদস্য তোজাম্মেল হক, রুহুল আমিন, আকবর আলিসহ অনেকে জনান মসজিদের মাইকে তারা শুনেছেন যে শীমফুলের মূত্যু বিদ্যুতায়িত হয়ে হয়েছে এবং রাত ১০ টায় জানাজা হবে। মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জেম মোশারফ হোসেন ও মোস্তফা জানান, তারা খাইরুলের পরিবারের নির্দেশে জানাজার সময় জানিয়ে মসজিদের মাইকে প্রচার করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান বিদ্যুতে শীমফুলের মুত্যু হয়েছে বলে মাইকে প্রচার হয়েছে এবং জানাজার সময় উল্লেখ করা হয়েছে। তারা আরো জানান, সোহেল একজন নাবালক এবং তার সাথে শীমফুলের প্রেমের সম্পর্ক বা অন্তসত্ত্বা হওয়ার ঘটনাটি কেউ কোন দিনই শুনেনি। খাইরুল ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সোহেল ও তার পরিবারকে ফাঁসাতে এ মামলা করেছে। এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কামরুজ্জামান জানান, লাশটির ময়না তদন্তে ফাঁসিতে ঝুলে মারা যাওয়া ও ৬ সপ্তার অন্তসত্ত্বার রির্পোট এসেছ্।ে