শিবগঞ্জে ভাতার কার্ড দেয়ার প্রলোভনে টাকা নেয়ার অভিযোগ

আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২০, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ

শিবগঞ্জ প্রতিনিধি


শিবগঞ্জে সুবিধাভোগী ভাতার ক্ষেত্রে ভাতার কার্ড করে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শতাধিক ভুক্তভোগীর কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এক নারী ইউপি সদস্য বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা। ঘটনাটি চাঁপাইনবাবঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট ইউনিয়নের ৭,৮ ও ৯ ওয়ার্ডে ঘটেছে। ওই নারী সদস্য হলো ফেরদৌসী বেগম বুচিয়া।
ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে ওই নারী ইউপি সদস্য তার নিজ এলাকাসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার শতাধিক অসহায় ও দুস্থদেরকে বয়স্ক, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্ত ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে বলে নিম্নে ২ হাজার ও উর্দ্ধে ৯হাজার টাকা আদায় করে। কার্ড পাওয়ার সময় পার হয়ে গেলেও কার্ড না পাওয়ায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনাটি অস্বীকার করেন। ফলে ভুক্তভোগী সোহেলও জোনাকী বেগম এলাকাবাসীর পক্ষে গত ২০১৯ সালের ৮ ডিসেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাটি তদন্ত করার জন্য উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার কাঞ্চন কুমার দাসকে দায়িত্ব দেন।
এ ব্যাপারে কানসাট ইউপি চেয়ারম্যান বেনাউল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে ইউপি সচিব ফারুক আহমেদ জানান, গত ২০১৯ ৮ডিসেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদনের পেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাসের নির্দেশে ২৯ জানুয়ারি বুধবার ইউপি অফিসে শুনানীর দিন ছিল। কিন্তু চেয়ারম্যান অসুস্থ থাকার কারণে শুনানী হয়নি।
তবে নারী সদস্য ফেরদৌসী বেগম বুচিয়ার বেগম এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি সুবিধাভোগী ভাতার কার্ড করে দেয়ার নামে কোন টাকা গ্রহণ করিনি। তবে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে যোগযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেও উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান বেনাউল ইসলামকে জানিয়েছি এবং অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ