শিবগঞ্জে সোনামসজিদ সমতা সোসাইটির বিরুদ্ধে গ্রাহককে হয়রানির অভিযোগ

আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২১, ১০:০৮ অপরাহ্ণ

শিবগঞ্জ প্রতিনিধি:


শিবগঞ্জে সোনামসজিদ সমতা সোসাইটি (এস এস এস) পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প নামে গ্রাহকের বিরুদ্ধে সাজানো ও মিথ্যা ঘটনা দিয়ে মামলা করে হয়রানির অভিযোগ ওঠেছে। প্রতিকার করে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করে সাংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের বালিয়াদিঘী ধনীপাড়া গ্রামের আব্দুল আলীমের ছেলে তারেক রহমান নামে এক গ্রাহক ও তার পরিবার। সংবাদ সম্মেলনে তারেকের সাথে তার পিতা , ভাই ও অন্যান্য আত্মীয় স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে কানসাট বলাকা মার্কেটে তারেক রহমান ও তার পরিবার কর্তৃক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ব্যবসা সংক্রান্ত ব্যাপারে টাকার প্রয়োজন হওয়ায় গত তিন বছর আগে সোনামসজিদ সমতা সোসাইটি থেকে আমি ৩৮ লাখ টাকা লোন নিয়ে পাথরের ব্যবসা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে প্রায় ২২ লাখ টাকা পরিশোধ করি। অবশিষ্ট ১৬ লাখ ৪৪হাজার টাকার কিস্তি করোনাকালে দিতে না পারায় সোসাইটির পরিচালক আকবর আলির সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির সময় তিনি আমাকে ও আমার পরিবার দেখা নেয়া ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। তারপর আমি আমার লোনের টাকার কিস্তি দিতে প্রস্তুত রয়েছি।
উল্লেখ্য যে গত তিন বছর আগে তার সাসাইটি থেকে লোন নেয়ার সময় গত ০৮-১২-২০১৮খ্রী: তারিখে ইসলামী ব্যাংক শিবগঞ্জ থানা শাখার একটি ফাঁকা চেক নিয়েছিলেন তার সোসাইটির নিয়মের অজুহাত দেখিয়ে। যার হিসাব নম্বর ১৯২২৬ এবং পাতা নং ১৫৭৫৮০৬। পরবর্তীতে আহসান হাবিব গত ০৬-১০-২০২০ খ্রী: তারিখে চেক ডিজঅনার করে গত ২০-১১-২০২০খ্রী: তারিখে আমার বিরুদ্ধে ৩১ লাখ টাকা পাওনা করে আমার বিরুদ্ধে মামলা করে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো। তার সাজানো ঘটনায় মিথ্যা মামলায় আমি ও আমার পরিবার বর্তমানে চরম হয়রানির শিকার হয়েছি এবং নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি।
তিনি আরো বলেন সোনামসজিদ সমতা সোসাইটির অন্যজন তার সহযোগী আহসান হাবিব কিছুদিন আাগে আমার ভাই আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে ৩৮লাখ ৮০ হাজার ৯শ ৩৩ টাকা পাওনা দেখিয়ে মামলা করেছিণেল । যাা মিথা বলে প্রমানিত হয়েছে।
লিখিত বক্তব্য পাঠকালে তারেক কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, ২০১৩-২০১৪সালে জামায়াত বিএনপির দ্বারা নাশকতা করার সময় পল্লীবিদ্যুৎ পুড়ানো সহ প্রায় দেড় ডজন মামলার আসামি ও শাহাবাজপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জামায়াত ইসলামীর সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন বিদ্বেষমূলক মনোভাব নিয়ে আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে সাজানো ঘটনায় মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। এ মামলা হতে নিস্তার পেতে আমি মিডিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এই অভিযোগের ব্যাপারে সোনামসজিদ সমতা সোসাইটির পরিচালক আকবর হোসেন বলেন, আমি তাকে (তারেককে) ৩১ লাখ টাকা ধার দিয়েছিলাম। এবং সে ব্যাংকের একটি ফাঁকা চেকের পাতা দিয়েছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠে এসেছে। তা তিনি অস্বীকার করেন। সেই সাথে তিনি নিজেকে সোনামসজিদ সমতা সোসাইটির মাঠকর্মী বলে দাবি করেন।