শিবগঞ্জে ১টি কালভার্ট ও ১ কিলোমিটার রাস্তার জন্য দেড় লাখ মানুষের ভোগান্তি

আপডেট: জুলাই ৩০, ২০২১, ৯:২৯ অপরাহ্ণ

শিবগঞ্জ প্রতিনিধি:


শিবগঞ্জের দূর্লভপুর ইউনিয়নের তত্তীপুর ঘাটের পশ্চিমে তর্ত্তীপুর ব্রীজ সংলগ্ন একটি কালভার্ট ও এক কিলোমিটার রাস্তা পাকা করণ না থাকায় ওই দূর্লভপুর, বিনোদপুর ও মনাকষা ইউনিয়নের প্রায় দেড় লাখ মানুষকে প্রায় ১২ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে গন্তব্য স্থানে পৌঁছতে হচ্ছে। কাজে আসছে না তর্ত্তীপুর ঘাটের ব্রীজ বৃহত্তর এ জনগোষ্ঠীর। সরেজমিনে দেখা গেছে, তর্ত্তীপুর ঘাটে ব্রীজ নির্মাণ হওয়ায় পাশে একটি কালভাট অকেজো হয়ে গেছে। তার পাশে কাঁচা রাস্তা ভেঙে গেছে। জনগণ খুব কষ্ট করে যাতায়াত করছে। অনেকেই প্রায় ১২ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে গন্তব্য স্থলে যাচ্ছে।
তর্ত্তীপুর এলাকার তরিকুল ইসলাম জানান, এ ব্রীজটি হওয়ায় পাকাও উজিরপুর ইউনিয়নের মানুষের খুব উপকার হয়েছে। কিন্তু মাত্র এক কিলোমিটার রাস্তা ও একটি কালভার্ট না থাকায় দূর্লভপুর সহ কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষ চরম হয়রানির শিকার হচ্ছে।
দামুদিয়াড় গ্রামের বেগম বিবি জানান, আমরা গরীব মানুষ। আমাদের বাড়ি হতে তর্ত্তীপুর মাত্র এক কিলোমিটারর্ াস্তা। কিন্তু কালভাট না থাকায় ও পাকা রাস্তা না থাকায় অনেক কষ্টে যেতে হয়ে। যাদের টাকা আছে, তারা বাররশিয়া হয়ে ১২কিরোমিটার রাস্তা ঘুরে যায়। আমরা একটি কালভাট ও দেড় কিলোমিটার রাস্তার জন্য জোর দাবি জানা্িচ্ছ। আমরা গরীব মানুষ, পায়ে হেঁটে কষ্ট করে যেতে হয়।
একই দাবি বোগলাউড়ি গ্রামের তরিকুল আলম, আটরশিয়ার শহিদুল ইসলাম, রসুলপুর গ্রামের আবদুল লতিফ, দামুদিয়াড় গ্রামের বেবী বেগম, আজম আলি, তর্ত্তীপুর গু”্ছ গ্রামের শান্ত রানীসহ প্রায় অর্ধশত মানুষের। দূর্লভপুর ইউপি চেযারম্যান আব্দুর রাজিব রাজু জানানা, তর্ত্তীপুর ঘাটের ব্রীজ সংলগ্ন একটি কালভার্ট ও ব্রীজ হতে দামুদিয়াড় হযে আটরশিয়া পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার পাকা রাস্তা না থাকায় দূর্লভপুর, মনাকষা ও বিনোদপুর ইউনিয়নের মানুষের জন্য ব্রীজটি কোন উপকারে আসছে না। যদিও তর্ত্তীপুর ব্রীজটি দুর্লভপুর ইউনিয়নে অবস্থিত।
এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ জানান, ওখানে একটি কালভার্ট নির্মাণ ও এক কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের জন্য ডিপিপির অর্ন্তুভুক্ত করার তালিকাভুক্ত করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে এবং তাদের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।
শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বী জানান, ইতিমধ্যে এলাকাটি পরিদর্শন করেছি। উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে আলোচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। বরাদ্দ আসলে কাজ শুরু হবে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল বলেন, এলজিইডি অপেক্ষায় আছি। যদি এলজিইডি তত্তীপুর ব্রীজ সংলগ্ন কালবার্ট ও এক কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করতে বিলম্ব করে বা না করে। তাহলে আমরা সামনে টিআর ও কাবিখা প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে কালভার্ট ও এক কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করে জনদুর্ভোগ দূর করা হবে।