শিমু হত্যা: স্বামীসহ দুজন তিন দিনের রিমান্ডে

আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২২, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ


সোনার দেশ ডেস্ক:


চলচ্চিত্র অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু হত্যার মামলায় স্বামী খন্দকার শাখাওয়াত আলীম নোবেল ও তার বন্ধু আব্দুল্লাহ ফরহাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কেরানীগঞ্জ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) চুন্নু মিয়া আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাবেয়া বেগমের আদালত প্রত্যেকের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনোয়ারুল কবীর বাবুল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে দুপুরে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার জানিয়েছেন, ১৭ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ইউনিয়ন পরিষদের আলীপুর সেতুর কাছে পাকা রাস্তা সংলগ্ন ঝোপের ভিতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় অজ্ঞাত নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করে। তার পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে প্রযুক্তির সাহায্যে মৃতদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তদন্তে জানা যায়, মৃতদেহটি চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর।

তিনি বলেন, ‘খুনিরা খুবই পরিকল্পিতভাবে লাশটি হযরতপুরে ফেলে যায়। তবে, তারা কিছু চিহ্ন রেখে যায়। আমরা গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিমুর স্বামী নোবেল এবং তার বাল্যবন্ধু এস এম ওয়াই আব্দুল্লাহকে রাতেই কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় নিয়ে আসি। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে শিমু হত্যাকা-ের সঙ্গে স্বামী ও তার বন্ধুর সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়। দাম্পত্য কলহের জেরে ১৬ জানুয়ারি সকাল ৭-৮টার দিকে খুন হন শিমু। তার লাশ গুম করতে সহায়তা করেন আব্দুল্লাহ ফরহাদ।’
শিমুকে হত্যার ঘটনায় তার ভাই হারুনুর রশীদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
তথ্যসূত্র: রাইজিংবিডি