শিশুদের পরীক্ষার ফল প্রকাশ উত্তীর্ণ শিশুদের প্রতি শুভেচ্ছা

আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২০, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ

শনিবার প্রাথমিক সমাপনী, ইবতেদায়ী এবং অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
প্রাথমিকে এবার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। আর ইবতেদায়ীতে পাস করেছে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী। গত বছর প্রাথমিক সমাপনীতে ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী।
জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬ লাখ ২ হাজার ৫৩ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ২২ লাখ ৯৭ হাজার ২৭১ জন। অর্থাৎ, পাশের হার ৮৭ দশমিক ৯০ শতাংশ।
পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বাংলাদেশ উদীপ্ত আত্মপ্রত্যয়ে নতুন বছরে প্রবেশ করলো। বিদায়ী বছরের ব্যর্থতা ও অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে শিক্ষা ক্ষেত্রের যে অব্যবস্থাগুলো সেগুলো দূরীভুত হবে এটাই দেশের মানুষের প্রত্যাশা। আমাদের শিশুদের সামনে সব কিছু ভাল উদাহরণটুকুই রাখতে হবে যাতে করে তারা একটি উন্নততর নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায় আজকের এই শিশুরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যত। এদের মধ্য থেকেই প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, বিজ্ঞানী, গবেষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদসহ দেশগড়ার কারিগর তৈরি হবে। তাদের উন্নত ভবিষ্যত তৈরি করা অভিভাবক ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তাদের জন্য উন্নত পরিবেশ, সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
যারা উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের বুকভরা হাসি, স্বপ্ন ভবিষ্যত উন্নত বাংলাদেরেশরই প্রতিচ্ছবি। আর যে শিশুরা উত্তীর্ণ হতে পারে নি, তাদেরকে সাহস ও উৎসাহ যোগানোর কাজটি অভিভাবকদের করতে হবেÑ যাতে তারা আগামীতে নতুন করে উজ্জীবিত হতে পারে। যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করেছে- ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এ দায় এড়াতে পারেন না। সেইসব স্কুলের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া বাঞ্ছনীয়। ওইসব স্কুলগুলোতে উন্নত শিক্ষা দেয়ার উদ্যোগটাও নিতে হবে।
সকল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের প্রতি রইল অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। নতুন বছর তাদের স্বপ্নের আলোয় উজ্জীবিত হোক, উজ্জীবিত হোক বাংলাদেশ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ