শিশুর বুদ্ধির বিকাশে বাবা-মা’র ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ || প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৭, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক



শিশুর বিকাশ ও লালন-পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, শিশুর বুদ্ধি, মানসিক ও শারীরিক বিকাশে পরিবারের ভূমিকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর বুদ্ধির বিকাশে খাদ্য ও পুষ্টির গুণগত মান ব্যাপক ভূমিকা রাখে। একটি শিশুর পরিপূর্ণ বুদ্ধির বিকাশে বাবা-মা’র সঠিক পরিচর্যা ও সচেতনতা প্রয়োজন। এতে সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠতে পারে। পরিবেশের  সাথে সঙ্গতিপূর্ণভাবে খাপ খাওয়ে চলতে পারে।
গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়কর্তৃক পরিচলিত এবং ইনস্টিটিউট অব চাইল্ড অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (আইসিএইচডি) কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রারম্ভিক মেধাবিকাশ দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচীর ইসিসিডি বিষয়ক ফাউন্ডেশন কোর্স (শিশুরা কিভাবে শেখে?) আওতায় আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ এবং শিশুর লালন পালন বিষয়ে সরকারি ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকারের গৃহীত শিশুর প্রারম্ভিক যতœ ও বিকাশের সমন্বিত নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করা এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য।
রাজশাহী সিটি করপোরেশন পর্যায়ে শিশুর লালন-পালন বিষয়ক তিন দিনব্যাপি এবং রাজশাহী বিভাগীয় পর্যায়ে শিশুর বিকাশ বিষয়ক চার দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালা রাজশাহীর পবার বায়াতে আশ্রয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ কর্মশালা শুরু হয়।
এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা প্রধান অতিথি থেকে উদ্বোধন করেন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এবিএম শরীফ উদ্দিন। বক্তব্য দেন, কর্মসূচির বাস্তবায়নকারী সংস্থা আইসিএইচডি-এর প্রতিনিধি নাজনীন আকতার এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ড. হ্যাপি কুমার দাশ।
শিশুর লালন-পালন বিষয়ক ৩ দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মহিলা কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাসহ মোট ২৫জন অংশগ্রহণ করেন। শিশুর বিকাশ বিষয়ক চার দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগীয় পর্যায়ে সরকারের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, সাংবাদিক এবং এনজিও প্রতিনিধিসহ মোট ৫২ জন অংশগ্রহণ করেন।
শিশুর বিকাশ বিষয়ে বিশেষভাবে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে প্রশিক্ষণ প্রদানকারী অভিজ্ঞ কর্মকর্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের সমন্বয়ে গঠিত মাস্টার ট্রেইনারদের একটি দল এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করেন। প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ প্রদানের মধ্য দিয়ে ৩টি ব্যাচের এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষ হবে ১৬ ফেব্রুয়ারি-২০১৭।