শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চল, তাপমাত্রা নেমেছে ৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে

আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২২, ৫:৫২ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


আবারও শৈত্য প্রবাহের কবলে পড়েছে উত্তরের জেলা দিনাজপুর। একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ২ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একইসঙ্গে বেড়েছে বাতাসের আদ্রতা ও গতিবেগ। ফলে বেশ শীত অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ও মাঝারি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই শৈত্যপ্রবাহ কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে।

দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি ২০২২) দিনাজপুরে সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসের আর্দ্রতা ৯৩ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ছিল ৪-৫ কিলোমিটার। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার গতিতে ধাবিত হতে পারে।

এর আগে বৃহস্পতিবার দিনাজপুরে সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ছিল ৮২ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ছিল ৩-৪ কিলোমিটার।

এছাড়াও জেলার পার্শ্ববর্তী পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৭ দশমিক ৩, নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৭ দশমিক ৮; রংপুরে ৮ দশমিক ২; ডিমলায় ৮ দশমিক ৪; নওগাঁয় ৭ দশমিক ৩; রাজশাহীতে ৮ দশমিক ৫; চুয়াডাঙ্গায় ৯ দশমিক শূন্য এবং শ্রীমঙ্গলে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (সকাল ৬টা) রেকর্ড করা হয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া দফতরের কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগসহ দেশের আরও বেশ কিছু স্থানের ওপর দিয়ে একটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শৈত্যপ্রবাহটি অব্যাহত থাকতে পারে। তিনি বলেন, হিমেল বাতাসের প্রভাব ও গতিবেগের কারণে বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। আর এই বাতাসের কারণে কুয়াশা নেই।

সূর্যের দেখা মিললেও আলো ও তাপ ছিল কমসূর্যের দেখা মিললেও আলো ও তাপ ছিল কম
এদিকে শৈত্যপ্রবাহ থাকলে দিনাজপুরবাসী সকালে সূর্যের দেখা পেয়েছে। তবে তেমন তাপ বিকিরণ করছে না। রয়েছে হিমেল বাতাসের প্রভাব। আর এসব মিলে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

রাজবাটী এলাকার ছায়া অধিকারী বলেন, রাত থেকে প্রচন্ড শীত আর ঠাণ্ডা বাতাস। মনে হচ্ছে গায়ে কাঁটা দিয়ে প্রবেশ করছে।
একই এলাকার রফিকুল ইসলাম নামে এক অটোরিকশা চালক বলেন, শীত আমাদের খেটে খাওয়া মানুষের জন্য যন্ত্রণার। সকালে বের হয়েছি, কিন্তু ভাড়া পাইনি। যাত্রীও তেমন নাই, নিজেরও যাওয়ার ইচ্ছা করছে না।
তথ্যসূত্র: বাংলাটিবিউন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ