শুক্রগ্রহে অক্সিজেন কতটা? পরিমাপ করতে যাবে নাসার ‘দাভিঞ্চি’!

আপডেট: জুন ৬, ২০২২, ৮:২১ অপরাহ্ণ

সোনার ডেস্ক ডেস্ক:


মঙ্গলগ্রহ নিয়ে যেমন বিজ্ঞানীদের আগ্রহ ততটা শুক্রগ্রহ নিয়ে নয়।
অথচ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে রয়েছে শুকতারাই। এবার সেই গ্রহেও একাধিক মিশনের আয়োজন চলছে। তবে শুক্রে যাওয়ার আগে সেখানকার জৈব এবং রাসায়নিক পরিস্থিতি ঠিক কী রকম তা জেনে নেওয়া প্রয়োজন। আর এ কাজেই পাঠানো ভবে দাভিঞ্চিকে।

দাভিঞ্চির পুরো কথা ডিপ অ্যাটমোস্ফিয়ার ভেনাস ইনভেস্টিগেশন অফ নোবেল গ্যাস (নিষ্ক্রিয় গ্যাস), কেমিস্ট্রি অ্যান্ড ইমেজিং। ২০২৯ সালে শুক্রে পাঠানো হবে দাভিঞ্চি মিশনকে। মহাকাশযানটিতে একটি বিশেষ যন্ত্র থাকবে যা শুক্রপৃষ্ঠের কাছে অক্সিজেনের পরিমাণ জেনে নেবে। যন্ত্রটিতে থাকবে একটি বোতামের আকারের সেন্সর যার নাম ভেনাস অক্সিজেন ফুগাসিটি। যুগান্তকারী গবেষণা চলবে তার মাধ্যমেই।

নাসা জানিয়েছে, এই সমস্ত গবেষণালব্ধ ফল বিচার করে বিজ্ঞানীরা এই প্রথমবার জানতে পারবেন, শুক্রগ্রহে কী কী খনিজ সবচেয়ে স্থিতিশীল। বর্তমানে পাথরের এই রূপান্তর কীভাবে হল তাও জানা যাবে ভিফক্সের মাধ্যমে। কী এই ভিফক্স?
দাভিঞ্চি মিশনের জন্য এই প্রযুক্তিটি তৈরি করছেন আন্ডার গ্রাজুয়েট এবং গ্র্যাজুয়েট পড়ুয়ারা।

মহাকাশযানের বাইরের অংশে লাগানো থাকবে সেন্সরটি। শুক্রের মেঘের গভীরে বায়ুম-লে থাকা অক্সিজেনের চাপ, অস্পষ্টতা সবই পরিমাপ করবে ভিফক্স। এছাড়াও শুক্রের কাছ থেকে ছবি পাঠাবে দাবিঞ্চি মিশন। অবশ্য এর জন্য আরও কিছু বছর অপেক্ষা করতে হবে।
তথ্যসূত্র: আজকাল