শেষ মহূর্তে টুপির দোকানে ভিড়

আপডেট: মে ১০, ২০২১, ১০:৪০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


বৃহস্পতিবার চাঁদ দেখা না গেলে শুক্রবার ইদ। তাই শেষ মুহূর্তে বিভিন্ন পোশাক কেনার পরে টুপির দিকে চোখ। একমাস সিয়াম সাধনার পরে আসা ইদের নামাজ আদায়ের জন্য কেনা হয় টুপি। শুধু তাই নয়, এই টুপি পরে নামাজ পড়া চলে সারা বছরই। মূলত ইদুল ফিরতে টুপি কেনার প্রতি বাড়তি চাহিদা থাকে মুসল্লিদের।
নগরীর সাহেববাজার, জিরোপয়েন্ট, নিউমার্কেট এর বিভিন্ন দোকন ছাড়াও ফুটপাতে ভ্যানে বা চাদর পেতে সব বয়সের ক্রেতার চাহিদা মাথায় রেখে টুপির সম্ভার সাজিয়েছেন দোকানিরা। দাম ও প্রকার ভেদে এসব টুপি কিনছেন ক্রেতারা।
রোববার ও সোমবার নগরীর সাহেববাজার এলাকার বিভিন্ন বিপণিবিতান ও ফুটপাত ঘুরে দেখা যায়, ইদের নামাজের এই অনুসঙ্গগুলো কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। আর্কষণীয় নকশা আর নানা কারুকার্যে সুসজ্জিত টুপির প্রতি ক্রেতাদের আর্কষণ বেশি। তবে অনেকের আবার সাদামাটা পছন্দ। এমন পছন্দের সাথে মিল রেখে দরদাম করে টুপি কিনছেন ক্রেতারা।
রকি সিকদার নামের এক বিক্রেতা জানান, দেশি গোল টুপি ৫০ থেকে ৪৫০ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। বিদেশিগুলোর মধ্যে জর্ডানি টুপি, পাকিস্তানি টুপি, নেপালি টুপি, গুজরাঠি টুপি বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে।
টুপি ক্রেতা রমজান আলী জানান- প্রতিবছর ইদুল ফিতরে আমাদের বাবা-ছেলের জন্য টুপি কিনি। এই টুপিতে সারাবছর নামাজ পড়ি। লালন নামের অপর ক্রেতা জানান, ইদের সবিকিছু নতুন। আর টুপিটা পুরানো, ঠিক ভালোলাগে না। তাই টুপি কিনলাম।
জয় নামের এক টুপি বিক্রেতা জানান, প্রতিবছর রমজান থেকে শুরু হয় টুপি বিক্রি। আর ইদের আগে তা দ্বিগুন বেড়ে যায় বিক্রি। এবছর বিদেশি টুপি তেমন নেই, করোনার কারণে আসেনি। তাই দেশের তৈরি বিভিন্ন কারুকার্যের সুসজ্জিত টুপিগুলো বেশি কিনছেন ক্রেতারা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ