শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে রহনপুর আম বাজার

আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২১, ৯:২৭ অপরাহ্ণ

গোমস্তাপুর প্রতিনিধি:


আমের রাজধানী নামে খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলা সদর রহনপুরে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে আমের বাজার। করোনাকালীন সময়ে সরকার ঘোষিত সারা দেশব্যাপী কঠোর লকডাউনের ঘোষণা থাকলেও রহনপুর আম বাজারে আম কেনা-বেচা চলছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২য় বৃহত্তম আম বাজার হলো এ রহনপুর। প্রতিদিন ভোর থেকেই ভ্যানে সারি-সারি আমের ডালি রহনপুরের ব্যস্ততম স্থান মাদ্রাসা মোড় থেকে পিএম আইডিয়াল কলেজ মাঠ (আম বাজার) পর্যন্ত লক্ষ্য করা গেছে।
বর্তমানে উপজেলার প্রায় সব অঞ্চল থেকে আম বাজারে আসা অসংখ্য আমের ভ্যানের কারনে পৌর এলাকার রাস্তাগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। তারপরও এলাকাবাসী যানজটকে বিরক্ত মনে না করে করোনাকালীন সময়ে আম চাষী ও আম ব্যবসায়ীদের দূরাবস্থার কথা বিবেচনা করে বিকল্প পথ দিয়ে চলাচল করছে।
বর্তমানে আম বাজারে বিভিন্ন জেলা থেকে আম ব্যবসায়ীদের সমাগম ও বেড়েছে। তবে করোনাকালীন সময়ে এলাকায় বসবাসরত দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পড়ুয়া ছাত্ররা যারা অনলাইন ও ই-কমার্সের ব্যবসার সাথে যুক্ত ছিল তারা তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে।
বর্তমান আম বাজারে ফজলী, আম্রপালী, বারী ফোর ও আশ্বিনা আম ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। আমের দাম সম্পর্কে রহনপুর আম আড়ৎদার সমবায় সমিতির সভাপতি হুমায়ন কবির বাবু জানান, ফজলী-৪০০০ থেকে ৫০০০, আম্রপালি-৩৫০০ থেকে ৫৫০০, বারীফোর-৩৫০০ থেকে ৪৫০০, আশ্বিনা-৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা মন দরে বিক্রয় হচ্ছে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ টি ছোট বড় ট্রাকে করে এ আম দেশের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে।
আম আড়ৎদার আশিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে আম বাজারে আশি^না আম ব্যাপক পরিমানে রয়েছে। পাশাপাশি ফজলী, আম্রপালী, বারী ফোর আম কম হলেও বাজারে দেখা মিলছে। তবে এ সব আমের দাম বেশি। প্রায় প্রতিদিনই আম ব্যাপারিরা আম ক্রয় করে ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাচ্ছে।
এদিকে গত ২৭ মে চালু হওয়া ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনটি হঠাৎ করে গত ১৭ জুলাই থেকে বন্ধ হয়ে যায়। এ ব্যাপারে সহকারী স্টেশন মাস্টার মামুনুর রশিদ মামুন জানান, আম বুকিং কম হওয়ার কারনে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনটি ১৭ জুলাই থেকে বন্ধ ঘোষণা করে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ