শেষ সময়ে ইদের পোশাকের দোকানে ভিড়

আপডেট: July 30, 2020, 10:31 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক


ইদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রাজশাহীর মার্কেটগুলো জমে না উঠলেও শেষ মুহূর্তে বেড়েছে ক্রেতা সমাগম। দীর্ঘ সময় অলস বসে থাকার পর ব্যস্ত সময় পার করছেন দোকানিরা। করোনাকালে মার্কেটগুলো প্রতিবছরের মতো জমজমাট না হলেও ইদ উপলক্ষে ক্রেতা সমাগম হওয়ায় খুশি বিক্রেতারাও।
নগরীর কোর্টবাজার, সাহেববাজার, গণকপাড়া ও কাপড়পট্রি ঘুরে দেখা যায়, করোনার মধ্যেও ক্রেতা সমাগম বেড়েছে। দোকানগুলোতেও বেড়েছে বেচাবিক্রি। তবে অধিকাংশ দোকানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা কিংবা বাধ্যতামূলক মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে না।
দোকানিরা বলছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে রোজার ইদে বেচাবিক্রি হয়নি। তবে রোজার ইদের চেয়ে কোরবানির ইদে বেচাবিক্রি ভালো হচ্ছে। তবে লকডাউনে তাদের যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে আরো সময় লাগবে।
কাপড়পট্রির দোকানি বাবু জানান, করোনার মধ্যে এই ইদে ভালো বেচাবিক্রি হচ্ছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় থাকছে। এতে তাদেরও ভালো লাগছে।
ক্রেতা সামিউল আলম বলেন, ইদুল ফিতরে করোনার কারণে পোশাক নিই নি। সেই সময় প্রশাসনের তৎপরতা ও ব্যক্তি সচেতনার কারণে পোশাক কেনায় তেমন আগ্রহও ছিলো না। তবে এবার না কিনলেই না।
আরডিএ মার্কেট ব্যবসায়ী সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার আলী জানান, করোনার কারণে ব্যবসায়ীদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। এখনো এ ক্ষতির মধ্যেই ব্যবসায়ীরা আছে। লকডাউনের মধ্যে ব্যবসায়ীদের যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে আরো অনেক সময় লেগে যাবে দোকান মালিকদের। ইদকে কেন্দ্র করে দোকানিদের যে বেচাবিক্রি হয় তার গত বছরের ৫০ শতাংশও বেচাবিক্রি নেই। তবে করোনার মধ্যে ইদুল ফিতরের চেয়ে বেচাবিক্রি ভালো।
তিনি আরো জানান, করোনার মধ্যে মার্কেটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতারা এখনো সচেতন না। এ বিষয়ে তারা বারবার সচেতন করছেন। তবে অনেকই তা মানছেন না। তবে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে। এছাড়া আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ‘নো মাস্ক নো সেল’ লিখা সংবলিত একটা দেয়াল লিখনের ব্যবস্থা করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ