বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

শেষ সময়ে জমজমাট শীতবস্ত্র ও কুটির শিল্প মেলা

আপডেট: December 13, 2019, 1:33 am

নিজস্ব প্রতিবেদক


নগরীর নগর ভবনে ১৩ নভেম্বর থেকে চলছে শীত বস্ত্র, হস্ত ও কুটির শিল্প মেলা। মাসব্যাপি এ মেলা গতকাল শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সময় বেড়ে তা চলবে ১৪ ডিসেম্বর শনিবার পর্যন্ত। শেষ মুহূর্তে ভিড় বেড়েছে মেলা প্রাঙ্গণে। মেলায় অধিকাংশ স্টলই নারীদের। কুটির শিল্পে সফল এমন নারীদের আয়োজনেই এই মেলা। মেলার স্টলগুলোতে ফুটে উঠেছে নারীদের শিল্পকর্ম। প্রতিটি পোশাকই এক একজন নারীর শ্রম, মেধা আর সৃজনশীলতাই অনন্য হয়ে উঠেছে। নারীদের এমন শিল্পকর্মে সৃষ্ট পোশাক কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা।
মেলার ‘প্রকাশ বুটিক’- এর উদোক্তা নাসিমা খাতুন জানান, এবারের মেলায় বেচাবিক্রি ভালোই হচ্ছে। শেষ সময়ে এসে ক্রেতা সমাগম কিছুটা বাড়ে- এবারো এর ব্যতিক্রম নয়। আমার স্টলে নারীদের বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক রয়েছে। ক্রেতারা তাদের পছন্দমতো কিনছেন। তবে ওয়ান পিস, টু পিস, থ্রি পিস এর বিক্রি বেশি হচ্ছে। এছাড়া কাতান, কুশন কভার, বিছানার চাদরেরও চাহিদা আছে। আসলে অনেক কষ্ট করে আমার পথচলা। সেই জায়গা থেকে এরকম মেলা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করছে।
মেলায় পোশাক কিনতে আসা হালিমা খাতুন জানান, মেলায় বৈচিত্র্যময় পেশাকের সমারোহ আছে। প্রায় প্রতিটা পোশাকই চোখে পড়ার মতো। এবার প্রথমবারের মতোই মেলায় আসা। এখন পর্যন্ত একটা থ্রি পিস কিনেছি। সব মিলিয়ে ভালোই লাগছে।
শীতবস্ত্র, হস্ত ও কুটির শিল্প মেলায় মোট স্টল রয়েছে ৩৮ টি। যার মধ্যে নারীদেই স্টল আছে ২৫টি। এছাড়াও মেলায় ছেলেদের ব্লেজারের স্টল আছে ২টি।
মেলায় আসা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মির আল আমিন জানান, বন্ধুরাসহ মেলায় কেনাকাটা করতে এসেছি। এখানে ছেলেদের স্টল কম। তবে পরিবারের জন্য শীতের পোশাক কিনলাম। এখানে অনেক সুন্দর সুন্দর নারীদের পোশাক আছে। নিজের জন্য ব্লেজার কেনার ইচ্ছা ছিল তবে ব্লেজারের দাম কিছুটা বেশি। এছাড়া এখানে ‘হিমু কসমেটিক’-এর স্টল কর্মীদের আচরণ ভালো না। সবমিলিয়ে মেলার পরিবেশ ভালোয় লাগছে।
মেলার আহ্বায়ক, উইমেন এন্টারপ্রিনিয়ার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ওয়েব এর রাজশাহী শাখার সভানেত্রী আঞ্জুমান আরা লিপি জানান, এবারের মেলার ফলাফল গত বছরের চেয়ে ভালো। আমার হাত ধরেই রাজশাহীতে এরকম মেলার সূচনা হয়েছে। এ রকম মেলার মাধ্যমে কুটির শিল্পের নারী উদ্যোক্তারা অনুপ্রাণিত হচ্ছে, প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। এটা আমার জন্য বড় পাওয়া। এখন পর্যন্ত মেলাকে ঘিরে তেমন কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে আমাদের নারীরা মেলার সময় বাড়ানো কথা বলছেন। আমরা ২ দিন সময় বাড়াতে পেরেছি।
বিকেল হলেই জাঁকজমকপূর্ণ হচ্ছে মেলা প্রাঙ্গণ। বেচা বিক্রি ভালো হওয়ায় সময় আরো বৃদ্ধি করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন ব্যবসায়ীরা। আর কেনাকাটার পাশাপাশি ফুচকা আর ফাস্ট ফুডের স্টলে আড্ডা জমাচ্ছেন অনেকেই।
শেষ সময়ে জমজমাট শীতবস্ত্র ও কুটির শিল্প মেলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
নগরীর নগর ভবনে ১৩ নভেম্বর থেকে চলছে শীত বস্ত্র, হস্ত ও কুটির শিল্প মেলা। মাসব্যাপি এ মেলা গতকাল শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সময় বেড়ে তা চলবে ১৪ ডিসেম্বর শনিবার পর্যন্ত। শেষ মুহূর্তে ভিড় বেড়েছে মেলা প্রাঙ্গণে। মেলায় অধিকাংশ স্টলই নারীদের। কুটির শিল্পে সফল এমন নারীদের আয়োজনেই এই মেলা। মেলার স্টলগুলোতে ফুটে উঠেছে নারীদের শিল্পকর্ম। প্রতিটি পোশাকই এক একজন নারীর শ্রম, মেধা আর সৃজনশীলতাই অনন্য হয়ে উঠেছে। নারীদের এমন শিল্পকর্মে সৃষ্ট পোশাক কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা।
মেলার ‘প্রকাশ বুটিক’- এর উদোক্তা নাসিমা খাতুন জানান, এবারের মেলায় বেচাবিক্রি ভালোই হচ্ছে। শেষ সময়ে এসে ক্রেতা সমাগম কিছুটা বাড়ে- এবারো এর ব্যতিক্রম নয়। আমার স্টলে নারীদের বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক রয়েছে। ক্রেতারা তাদের পছন্দমতো কিনছেন। তবে ওয়ান পিস, টু পিস, থ্রি পিস এর বিক্রি বেশি হচ্ছে। এছাড়া কাতান, কুশন কভার, বিছানার চাদরেরও চাহিদা আছে। আসলে অনেক কষ্ট করে আমার পথচলা। সেই জায়গা থেকে এরকম মেলা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করছে।
মেলায় পোশাক কিনতে আসা হালিমা খাতুন জানান, মেলায় বৈচিত্র্যময় পেশাকের সমারোহ আছে। প্রায় প্রতিটা পোশাকই চোখে পড়ার মতো। এবার প্রথমবারের মতোই মেলায় আসা। এখন পর্যন্ত একটা থ্রি পিস কিনেছি। সব মিলিয়ে ভালোই লাগছে।
শীতবস্ত্র, হস্ত ও কুটির শিল্প মেলায় মোট স্টল রয়েছে ৩৮ টি। যার মধ্যে নারীদেই স্টল আছে ২৫টি। এছাড়াও মেলায় ছেলেদের ব্লেজারের স্টল আছে ২টি।
মেলায় আসা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মির আল আমিন জানান, বন্ধুরাসহ মেলায় কেনাকাটা করতে এসেছি। এখানে ছেলেদের স্টল কম। তবে পরিবারের জন্য শীতের পোশাক কিনলাম। এখানে অনেক সুন্দর সুন্দর নারীদের পোশাক আছে। নিজের জন্য ব্লেজার কেনার ইচ্ছা ছিল তবে ব্লেজারের দাম কিছুটা বেশি। এছাড়া এখানে ‘হিমু কসমেটিক’-এর স্টল কর্মীদের আচরণ ভালো না। সবমিলিয়ে মেলার পরিবেশ ভালোয় লাগছে।
মেলার আহ্বায়ক, উইমেন এন্টারপ্রিনিয়ার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ওয়েব এর রাজশাহী শাখার সভানেত্রী আঞ্জুমান আরা লিপি জানান, এবারের মেলার ফলাফল গত বছরের চেয়ে ভালো। আমার হাত ধরেই রাজশাহীতে এরকম মেলার সূচনা হয়েছে। এ রকম মেলার মাধ্যমে কুটির শিল্পের নারী উদ্যোক্তারা অনুপ্রাণিত হচ্ছে, প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। এটা আমার জন্য বড় পাওয়া। এখন পর্যন্ত মেলাকে ঘিরে তেমন কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে আমাদের নারীরা মেলার সময় বাড়ানো কথা বলছেন। আমরা ২ দিন সময় বাড়াতে পেরেছি।
বিকেল হলেই জাঁকজমকপূর্ণ হচ্ছে মেলা প্রাঙ্গণ। বেচা বিক্রি ভালো হওয়ায় সময় আরো বৃদ্ধি করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন ব্যবসায়ীরা। আর কেনাকাটার পাশাপাশি ফুচকা আর ফাস্ট ফুডের স্টলে আড্ডা জমাচ্ছেন অনেকেই।