শোক-শ্রদ্ধায় জেল হত্যা দিবস পালিত ‘রাজনীতিতে মেধা ও আস্থার প্রতীক জাতীয় চারনেতা’

আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০২২, ১০:১৮ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :


গভীর শোক-শ্রদ্ধায় নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জেল হত্যা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) দিনব্যাপি নানা কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহীর রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সরকারি- বেসরকারি-স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। দিনব্যাপি কর্মসূচির মধ্যে ছিলো- বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহিদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কোরআন খতম, শোক র‌্যালি, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, রক্তদান কর্মসূচি, প্রামাণ্য চিত্র উপস্থাপন, বৃক্ষরোপণ ও মানবভোজ বিতরণ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিলো। স্বাধীনতার চার বছরের মধ্যেই দেশদ্রোহীরা চক্রান্তের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে। পরে দেশদ্রোহীরা বুঝতে পেরেছিলো, বঙ্গবন্ধুর পর এই চার নেতা দেশের হাল ধরবেন। তাই পরিকল্পিতভাবে চক্রান্তের নীল নকশা তৈরি করে জেলখানায় তাদেরকেও নৃশংসভাবে হত্যা করে দেশবিরোধী অপশক্তিরা। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির অন্যতম সহযোগী ছিলেন শহীদ জাতীয় চার নেতা। তারা ছিলেন, ‘রাজনীতিতে মেধা ও আস্থার প্রতীক’।

বক্তারা আরও বলেন, কোনো প্রলোভনে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জাতির কল্যাণের আদর্শচ্যুত হন নি। একারণে ৩ নভেম্বরের প্রথম প্রহরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামারুজ্জামানকে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকান্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশ হারিয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নসারথি এবং বিশ্বস্ত সৈনিকদের। সেদিন খুনিচক্র জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে মরদেহ পর্যন্ত পরিবারকে দেখতে দেয় নি। বনানীতেই সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ ও এম মনসুর আলীকে কবরস্থ করে। সেদিন এএইচএম কামারুজ্জামানের সহধর্মীনির অটল সিদ্ধান্তে রাজশাহীতে মরদেহ পাঠাতে বাধ্য হয়েছিলো খুনিরা। কিন্তু এক নজরের জন্যও পরিবারের কাউকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেয়া হয় নি। এই নৃশংস হত্যাকারী স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির স্বপ্ন পূরণ হতে দেন নি বঙ্গবন্ধু কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হৃদয়ে লালন করা আদর্শকে সামনে রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

কামারুজ্জামানের পরিবার: শোক-শ্রদ্ধা, স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে জেল হত্যা দিবস পালন করেছে শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের পরিবার। এদিন সকালে নগরীর কাদিরগঞ্জে জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধিতে পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, শহীদ কামারুজ্জামানের সুযোগ্যপুত্র বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন, পুত্রবধু মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবী শাহীন আকতার রেনী, দৌহিত্র আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটি ও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্ণা, রাবির ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রভাষক রেজভী আহমেদ ভূঁইয়া।
এদিকে, জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে সকাল থেকে শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামানের সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা জানাতে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক-শির্ক্ষাথীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে।
শহিদ কামারুজ্জামানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন, রাজশাহী বিভাগীয় জিএসএম জাফরউল্লাহ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল বাতেন, মহানগর পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক, জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল, জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন।

মহানগর আওয়ামী লীগ: দিবসটি উপলক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন স্বাধীনতা চত্বরে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, বিশাল শোক র‌্যালি, কামারুজ্জামানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও রাসিক মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সদস্য বেগম আখতার জাহান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিন্নাতুন নেসা তালুকদার, নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, সহ-সভাপতি শাহিন আখতার রেনী, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা, মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল। দোয়া পরিচালনা করেন, নগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য প্রফেসর বারকুল্লাহ বিন দুরুল হুদা।
বেলা ১ টায় দলীয় কার্যালয়ে ও নগরীর সকল এতিমখানা ও মাদ্রাসায় মানবভোজ বিতরণ করা হয়। নগরীর প্রত্যেক মসজিদে বাদ যোহর জাতীয় চার নেতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও সকল ওয়ার্ডে কোরআন তেলাওয়াত সম্প্রচার করা হয়।
স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে নগর আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক): দিবসটি উপলক্ষে সকালে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের আয়োজনে নগর ভবন চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনসহ কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর নগর ভবন থেকে বিশাল শোকর‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি কাদিরগঞ্জে শহিদ কামারুজ্জামানের সমাধিস্থলে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে শহিদ কামারুজ্জামানের প্রতি পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। রাসিক মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন, রাসিকের কাউন্সিলর, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা পৃথক পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। রাসিকের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিলো- কালো ব্যাজ ধারণ, কোরআন খতম, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল, রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ খাবার বিতরণ, সকল মসজিদে দোয়া ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা, প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন, শোক সম্বলিত ব্যানার প্রদর্শন, কালো পতাকা উত্তোলন, প্রতিটি ওয়ার্ডে মাইকে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতসহ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শহিদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামানের ভাষণ প্রচার করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাসিক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের ঢাকায় বসবাসরত সকল সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিলো স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিরা। একটিই কারণ সেটি হচ্ছে, স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে রুখে দেওয়া এবং দেশকে আবার পাকিস্তানী ভাবধারায় ফিরিয়ে নেয়া। ফলশ্রুতিতে পরবর্তীতে আমরা দেখি, যখন খুনিচক্র বুঝতে পারে তাদের উদ্দেশ্যে ওই মুহুর্তে বাস্তবায়িত হবে না, দেশ ত্যাগ করার চিন্তাভাবনা তারা করে। সে সময়ে ৩রা নভেম্বর জেলখানায় আবদ্ধ জাতীয় চারনেতাকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে সমাজের সকল রীতি-নীতি ভঙ্গ করে রাত্রী বেলায় জেলখানায় সশস্ত্র সেনাবাহিনী খুনি রিসালদার মোসলেহ উদ্দিনের নেতৃত্বে পাঠানো হয় এবং তারা সেই জঘন্য হত্যাকা-টি ঘটায়। চার জাতীয় নেতা জীবনে ও মরণে বঙ্গবন্ধুর সাথে ছিলেন। এই বেদনা-বিধুর দুটি ঘটনা বাংলাদেশকে হয়তো বা একেবারে শেষ করে দিতে পারতো, যদি না আমাদের মাঝে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের হাল না ধরতেন, ক্ষমতায় না আসতেন। তাহলে দেশ আজকের এই জায়গায় থাকতো না।

মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন আরও বলেন, হত্যাকা-গুলোর রায় পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন হয় নি। মানবাধিকারের কথা বলে কানাডা, আমেরিকা ইত্যাদি উন্নত দেশ বঙ্গবন্ধুর আত্ম স্বীকৃত খুনিদের ফেরত দিচ্ছে না। জাতীয় চার নেতার খুনিরাও ভারতসহ বিভিন্ন দেশে পলাতক আছে। তাদেরকেও ফেরত আনা যাচ্ছে না। নানা ঘটনায় এই বিচারের পথটি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এটি সহসায় কাটবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মেয়র।

তিনি আরো বলেন, ৩রা নভেম্বরকে যথাযথ মর্যাদায় রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করার যে আহ্বানটি এসেছে। আমি মনে করি দলের হাইকমান্ড এটি সুবিচেনায় নিবেন। এ বিষয়ে দ্রুতই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিবেন।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, রাজশাহী জেলা ও মহানগর কমা- যৌথভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। ভোরে সংগঠনের ভবনের শীর্ষে শোক (কালো) পতাকা উত্তোলন, জাতীয় ও সংগঠনের পতাকা অর্ধনমীতকরণ, সকাল ৮টায় মুক্তিযোদ্ধা গণজমায়েত, কালো ব্যাজধারন, জাতীয় ৪ নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন, শহীদ কামারুজ্জামানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। সকাল ১১ টায় জেলা ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার/২০১৪ বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদুল হকের সভাপতিত্বে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে (সংগঠনের কার্যালয়ে) আলোচনা সভা ও দোয়া করা হয়। এতে অংশ গ্রহণ করেন মুক্তিযোদ্ধাসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী, (এমপি ৯৬) ও বাংলাদেশ মুক্তিসংগ্রাম পরিষদ-মুক্তিযুদ্ধ ’৭১ এর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপিকা জিনাতুন নেছা তালুকদার, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের নেতা অ্যাড. মতিউর রহমান, প্রবীন রাজনীতিবিদ মুক্তিযোদ্ধালীগের জেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আব্দুস সামাদ, জেলা সাবেক ডেপুটি কমান্ডার কে.এম.এম. ইয়াছিন আলী মোল্লা, সাবেক সহকারী কমান্ডার আলী আর্সলান-অপু ও শেখ দিল মোহম্মদ, মহানগর ডেপুটি কমান্ডার/২০১৪ বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলামসহ সাবেক সহকারী কমান্ডারবৃন্দ।

মহানগর ছাত্রলীগ: মহানগর ছাত্রলীগের আয়োজনে সকাল ১০ টায় শোক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধিস্থলে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। বর্ণালীর মোড়ে দুপুরে মানবভোজ বিতরণ করা হয়। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্ণা, নগর ছাত্রলীগ সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম, সাধারণ সম্পাদক ডা. সিরাজুম মুবিন সবুজসহ অন্যান্যরা।

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ: দিবসটি উপলক্ষে সকালে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শহিদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান হেনার সমাধীস্থলে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে নগরীর অলকার মোড়ে অবস্থিত রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের নিজস্ব কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকারের সভাপতিত্বে এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি): দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর গোলাম সাব্বির সাত্তারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাবির উপ-উপাচার্য প্রফেসর মো. সুলতান-উল-ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. অবায়দুর রহমান প্রামাণিক। আলোচক ছিলেন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রফেসর দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস বক্তব্য দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর মো. আবদুস সালাম আলোচনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।।

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (রামেবি): দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (রামেবি)র উদ্যোগে সকাল ১০ টায় শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান, রামেবির উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. রুস্তম আলী আহমেদ। কবর জিয়ারত ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

সকাল ১১ টায় রামেবির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল কাদের, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ার হাবিব, কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন। এসময় অন্যান্যা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড: দিবসটি উপলক্ষে শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং দোয়া করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল এবং জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব আরিফুল ইসলাম, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) ও অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি মুঞ্জুর রহমান খান প্রমুখ। বাদ আসর শিক্ষা বোর্ড জামে মসজিদে দোয়া মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি: দিবসটি উপলক্ষে চেম্বার ভবনে কুরআন খতম করা হয়। রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকুর নেতৃত্বে চেম্বার পরিচালনা পর্ষদ শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান এর কবর জিয়ারত ও পুস্প স্তবক অর্পন, দোয়া মাহফিল এবং দরিদ্র ও অসহায়দের মাঝে খাবার বিতরণ করেন। খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, এফবিসিসিআই এর পরিচালক শামসুজ্জামান আওয়াল। এছাড়া চেম্বারের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দলিল লেখক সমিতি: দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিদুল হকের নেতৃত্বে শহিদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান হেনার সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী সদর সাব রেজিস্টার নাজির আহমেদ রিপন, রাজশাহী সদর দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ জাকাতুল্লাহ মলার প্রমুখ।

জাসদ: দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ মহানগর সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ শিবলী ও সাধারণ সম্পাদক আমিরুল কবির বাবু নেতৃত্বে শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সহ- সভাপতি শাহরিয়ার রহমান সন্দেশ, জেলা জাসদের সহ-সভাপতি শামসুজ্জামান শামসু প্রমুখ।

বিএমডি: দিবসটি উপলক্ষে শহিদ এএইচএম কামরুজ্জামানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য বেগম আখতার জাহানের নেতৃত্বে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতার জন্য দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন, বিএমডিএর পেশ ইমাম রফিকুল ইসলাম। এসময় বিএমডিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি: দিবসটি উপলক্ষে নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক জাতীয় চার নেতাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় ইউনিভার্সিটির উপাচার্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক ও রাজনীতিবিদ প্রফেসর ড. আবদুল খালেকের নেতৃত্বে শহিদ এএইচএমকামারুজ্জামানের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। এসময় ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, সকল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, কো-অর্ডিনেটর এবং উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়।

ওয়ার্কার্স পার্টি: দিবসটি উপলক্ষে মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপির পক্ষ থেকে সেখানে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এসময় মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ প্রামাণিক দেবু, সম্পাদকমন্ডলী সদস্য সাদরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব): দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক রাজশাহী প্রধান কার্যালয়ের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদুল হক।
এসময় রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় মহাব্যবস্থাপক আতিকুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক, প্রশাসন (চলতি দায়িত্ব) শওকত শহীদুল ইসলামসহ রাকাব প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় কার্যালয়, নিরীক্ষা কার্যালয়, প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট, এসইসিপি, জোনাল ব্যবস্থাপক ও জোনাল নিরীক্ষা কর্মকর্তা, সিবিএ, রাকাব বঙ্গবন্ধু পরিষদ, রাকাব অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং রাকাব অফিসার্স ফোরামের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বাদ যোহর রাকাব প্রধান কার্যালয়ের মসজিদে বিশেষ দোয়া করা হয়।

রাজশাহী কলেজ: দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী কলেজ দিনব্যাপি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। সকাল সাড়ে ৯ টায় রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষের নেতৃত্বে জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধীতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করা হয়। বেলা সাড়ে ১০ টায় বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। ইতিহাস বিভাগের আয়োজনে কলেজ মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মো. শাহ তৈয়বুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহা. আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ওলিউর রহমান, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। এসময় অন্যান্য শিক্ষকরা কামারুজ্জামানের জীবনাচারণের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন, ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আল আমীন হক। বাদ যোহর কলেজ জামে মসজিদে জাতীয় চার নেতার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়।

মেট্রোপলিটন কলেজ: দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী মেট্রোপলিটন কলেজের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ৮ টায় জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের মাজারে পুষ্পার্ঘ অর্পণ শেষে কলেজ মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মহাফিল করা হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, কলেজের অধ্যক্ষ মো. সাইফুর রহমান। বক্তব্য রাখেন, উপাধ্যক্ষ সুকুমার সরকার, সহকারী অধ্যাপক মো. ঈদরিশ আলী, বিধান চন্দ্র সরকার, রেবেকা সুলতানা, প্রভাষক মোছা. শারমিন সরকার। দোয়া মহফিল পরিচালনা করেন, সহকারী অধ্যাপক মোহা. জিল্লার রহমান। এসময় কলেজের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

নেসকো বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ: দিবসটি উপলক্ষে কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাজধারন, শোক র‌্যালি, প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন, দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ ও খাদ্য বিতরণ করা হয়।
কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন, নেসকো বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রভাস কুমার আচার্য্য। এসময় সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সোহেলসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ: দিবসটি উপলক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, শোক র‌্যালি ও আলোচনা সভা করা হয়। শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন, কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. জুবাইদা আয়েশা সিদ্দীকাসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ। সকাল ১০ টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় কলেজের অধ্যক্ষের সভাপতিত্বে শিক্ষকরা বক্তব্য রাখেন। শেষে দোয়া মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

বঙ্গবন্ধু কলেজ: দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু কলেজে শোক রালি, শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এসময় বঙ্গবন্ধু কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি এ.এম.এম আরিফুল হক কুমার, চিকিৎসক সদস্য ডা. এফ.এম.এ জাহিদ, ভারপ্রাপ্ত (অধ্যক্ষ) কামরুজ্জামানসহ শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে দোয়া করা হয়।

পবা উপজেলা আওয়ামী লীগ: দিবসটি উপলক্ষে পবা উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধিস্থলে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন। এসময় পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলী ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ নেতৃত্ব দেন। এসময় অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রেলওয়ে শ্রমিকলীগ: দিবসটি উপলক্ষে দুঃস্থ, এতিম শিশুদের মাঝে খাবর বিতরণ, দোয়া ও মিলাদ মাহাফিলও শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এ সময় শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মেহেদী হাসান বক্তব্য রাখেন। কর্মসূচিতে রেলওয়ে শ্রমিক লীগের সকল নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শ্রমিক লীগ: দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় শ্রমিক লীগের মহানগর ও এর অন্তর্গত সকল ইউনিট জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোক র‌্যালিতে অংশগ্রহন, শহিদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামানের সমাধীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহন করে শ্রমিক লীগের নেতা-কর্মীরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় শ্রমিক লীগের প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান, নগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওয়ালী খান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শরীফ আলী মুনমুন প্রমুখ।

সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ: দিবসটি উপলক্ষে নগর সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের উদ্যোগে সভাপতি হাসিবুল আলম রজন ও সাধারণ সম্পাদক সাহেব আলীর নেতৃত্বে জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোক র‌্যালি শহিদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামানের সমাধীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহন করা হয়। বেলা ২টায় শিরোইল ঢাকা বাস টার্মিনাল কার্যালয়ের সামনে মানবভোজ বিতরণ করা হয়। এসময় অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্মচারী লীগ: দিবস উপলক্ষে আলোচনা, দোয়া মহফিল ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। কর্মসূচিতে কর্মচারী লীগের সভাপতি আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হক পিন্টু প্রমুখ। শেষে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আনওয়ার হোসেন দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন।