শ্যালিকাকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় পুলিশ কর্মকর্তাকে পিটুনি

আপডেট: জুলাই ১, ২০১৭, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


শ্যালিকাকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রুবেল মিয়াকে (৩২) বেধড়ক পিটিয়েছে বখাটেরা। বর্তমানে ওই পুলিশ কর্মকর্তা লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি লালমনিরহাট রেলওয়ে জিআরপি থানায় কর্মরত।
বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে লালমনিরহাট শহরের আপনপাড়া এলাকায় এ হামলার ঘটনার ঘটে। এ ঘটনায় লালমনিরহাট থানায় ওই পুলিশ কর্মকর্তার শ্বশুর নুরুজ্জামান বাদি হয়ে ১০ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেছেন। লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশ ইতোমধ্যে এজাহারনামীয় ৩ নম্বর আসামি আপনপাড়া এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে মো. মমিনকে (২৭) গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।
লালমনিরহাট সদর পুলিশ, এলাকাবাসী ও মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট পৌরশহরের আপনপাড়া এলাকার নুরুজ্জামানের মেয়ে স্থানীয় মাদরাসার নবম শ্রেণির ছাত্রীকে একই এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে মো. মনির উত্ত্যক্ত করে আসছিল। এ নিয়ে নুরুজ্জামানের জামাই লালমনিরহাট রেলওয়ে জিআরপি থানার এএসআই রুবেল মিয়া শালিকাকে উত্যক্ত না করার জন্য মো. মনিরকে নিষেধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত বখাটে মনিরসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা লালমনিরহাট সদর নার্সিং হোমের পূর্বপাশে রুবেল মিয়াকে একা পেয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও ভাঙচুর করা হয়।
লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. আজমল হক বলেন, ‘চিকিৎসাধীন পুলিশ কর্মকর্তা রুবেলের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তার বাম হাতের কনিষ্ঠ ও মধ্যমা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের কারণে জখম হয়েছে।’
লালমনিরহাট সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (সার্বিক) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও হাসপাতালে খোঁজখবর নিয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে সদর থানায় একটি মামলা হয়েছে। এ মামলায় মনিরের বড় ভাই মমিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেফতার ও মামলার তদন্ত চলছে।’
তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন