নাটোরে ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলনে পরকীয়া ঢাঁকতে মিথ্যা মামলা,নিষ্পির জন্য চাঁদাদাবি

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৪, ১১:০১ অপরাহ্ণ


নাটোর প্রতিনিধি:নাটোরের নলডাঙ্গায় পরকীয়া ঢাঁকতে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিয়ে প্রাচ লক্ষ টাকা চাঁদাদাবি করছে। চাঁদার টাকা না পেয়ে পুকুর ও কৃষি জমিতে কাজ করতে বাধাঁ দিচ্ছেন এবং পুলিশ দিয়ে হয়রানি করছেন, বলে সংবাদ সম্মেলন থেকে দাবি করেছেন, স্থানীয় এক ইউপি সদস্যসহ ওই মামলায় অভিযুক্তের স্বজন ও তার পরিবাররা।

রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলার বাঁশিলা পূর্বপাড়া একটি বাড়িতে আয়োজিত থেকে ভুক্তভোগীরা মামলার নিরোপেক্ষ তদন্ত এবং তাদের কৃষি জমিতে ধান ও পুকুরে মাছ চাষ করতে পারেন এমন দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, অভিযুক্তের বাবা ও মাধনগন ইউনিয়ন পরিষদেও সদস্য মালেক ব্যাপারী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, আজিজুল হক,আবেদ আলী প্রধান,আইচান ব্যাপারী,সাইন ব্যাপারী,ও আয়েশা বেগমসহ মামলায় অভিযুক্তের স্বজন ও গ্রামের অন্যরা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার বাঁশিলা গ্রামের বাসিন্দা এবং সৌদি প্রবাসী মামুন ব্যাপারীর দীর্ঘ্য দিন প্রবাসে থাকায় তার স্ত্রী গ্রামের রবীনের সাথে পরকীয়া জরিয়ে পরে। বিষয়টি বুঝতে পেয়ে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে অনৈতিক কাজ করার সময় বাড়ির পার্শে একটি মাঠে গ্রামের কয়েকজন তাদের হাতে-হাতে ধরে ফেলে।

সংবাদ সম্মেলনে এই ঘটনার পরের দিন গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর নলডাঙ্গা থানায় তুহিন ব্যাপারীসহ চারজন অভিযুক্তকে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ওই গৃহবধু। যা মিথ্যা এবং সে নিজেকে বাঁচানোর জন্যই মামলাটি দায়ের করে। এতে সহযোগীতা করে নুর মোহাম্মদ বেপারী। এ চক্রটি মিথ্যা মামলা দিয়ে এইবস অভিযুক্তদেও কাছে না না ভাবে চাঁদাদাবী করছে। চাঁদা না পেয়ে তারা কৃষি জমি ও পুকুরে চাষ করতে বাঁধা দিচ্ছেন।
বিষয়টি নিরোপেক্ষ তদন্ত করে আসল অপরাধীকে আটক করার দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনের বিষয় ভিকটিমের শাশুরী গোলাপী বেগম বলেন, তারা যা বলছে মিথ্যা। জমিতে পিয়াজ, রসুন সবই চাষ করছে। গ্রামের লোকজন জানে কার কয়টা খারাপ রিপোর্ট আছে। এ ঘটনায় আমার পরিবার চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লজ্জায় আমার ছেলে দেশে ফিরতে পারছেন না। আসামিরা আমার পরিবারকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি প্রদান করছে। এ ঘটনার বিচার চাই।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Exit mobile version