সপ্তম দিনে সড়কে মানুষ ও যানবাহন বেড়েছে

আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২১, ৯:৪০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


কঠোর বিধি-নিষেধের (লকডাউন) গেলো সপ্তম দিন। কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বরাবরের মতো এদিন শহরের প্রধান প্রধান সড়ক চেকপোস্ট ছাড়াও ও পাড়া-মহল্লায় টহল দিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) নগরের সড়কে গত কয়েকদিনে তুলনায় যানবাহনের সংখ্যা বেশি ছিলো। এছাড়া চেক পোস্টগুলোর অদূরে রিক্সা ও অটোরিক্সা জটলা লক্ষ্য করা গেছে।
তবে রাজশাহী মহানগর ও জেলায় জরুরি সেবাসমূহ চালু রয়েছে আগের মতোই। এর মধ্যে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স, ওষুধ ও খাবার পরিবহণের যানবাহনগুলো স্বাভাবিক নিয়মেই চলাচল করছে।
সড়কে পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি রাজশাহী সিটি এবং প্রতিটি উপজেলায় সেনাবাহিনীর টহল দেখা গেছে। কঠোর বিধি-নিষেধের সপ্তম দিনেও রাজশাহী জুড়েই কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে রয়েছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। স্বাস্থ্যবিধি না মানার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করছে।
শহরের তিনটি প্রবেশমুখ তালাইমারী, আমচত্বর ও কাশিয়াডাঙ্গাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। এসব পয়েন্ট মানুষ ও যানবাহনের অবাধ প্রবেশ ঠেকাতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবে চেকপোস্টের একটু দূরে অটোরিক্সা ও অটো জটালা সৃষ্টি করছে।
নগরীর আমচত্বর এলাকায় নওগাঁ রোডে পুলিশের চেকপোস্টের একটু দূরে রিক্সা ও অটোরিক্সা থেমে আছে। পায়ে হেঁটে চেকপোস্ট পার হওয়া যাত্রীদের গন্তব্যে নিয়ে ছুটছে যানবাহনগুলো। একই অবস্থা কাশিয়াডাঙ্গা ও তালাইমারী এলাকায়। কাশিয়াডাঙ্গায় স্বাগতম রাজশাহী সিটি করপোরেশনের গেটের কাছে থেকে অটোরিক্সার লাইন। তালাইমারী এলাকায় বিআরটিসি কাউন্টারের সামনে থেকে রিক্সার লাইন দেখে গেছে। এই সবস্থান থেকে যাত্রী তুলে নিয়ে যাচ্ছে রিক্সা ও অটোরিক্সা চালকেরা।
এছাড়া সকালে নগরীর শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান চত্বর, শিরোইল বাস টার্মিনাল, রেলওয়ে স্টেশন, নিউমার্কেট, সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট, সোনাদিঘির মোড়, লক্ষ্মীপুরসহ কয়েকটি জনবহুল এলাকা ঘুরে মানুষের বেশ উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
নগর পুলিশের মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস জানান, চেকপোস্ট থেকে বাঁচার জন্য এই কাজগুলো করছে। এছাড়া পুলিশের নিয়মিত টহলসহ অন্য কার্যকমগুলো অব্যহত রয়েছে।