সবজির দাম কমলেও কমেনি মরিচের ঝাঁজ অপরিবর্তিত মাংস ও ডিমের দাম

আপডেট: জুলাই ১০, ২০২০, ১১:১৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


সবজির দাম কমলেও কমেনি মরিচের ঝাঁজ অপরিবর্তিত মাংস ও ডিমের দাম

বাজারে সবজির দাম কমলেও কমেনি মরিচের দাম। রাজশাহীর বাজারে সপ্তা ভেদে প্রায় সবধরনের সবজির দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে দাম বেড়ে স্থিতিশীল রয়েছে মরিচের দাম। বাজারে কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে, পুকুরে চাষকৃত মাছের দাম না বাড়লেও বেড়েছে নদীর মাশ। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে ডিম ও মাংসের দাম।

 

 

 

নগরীর উপশহর নিউ মার্কেট এলাকার সবজি বিক্রেতা শুভ জানান, প্রতিকেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৩২ টাকা দরে। যা কয়েকদিন আগে ছিলো ৩০ টাকা। গত সপ্তার তুলনায় ২০ টাকা কমে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দরে। পটল ৪০ টাকা থেকে কমে বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। শশা ৫০ টাকা, লাউ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, করলো ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচু ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, লেবুর হালি ১২ থেকে ১৫ টাকা।

এদিকে, দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে। ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ২৫ টাকা দরে। রসুনের কেজি ১২০ টাকা, গাজর বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, ঢেরস বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি, বরবটি ৪০ টাকা কেজি দরে।
শামসুন নাহার নামের এক গৃহীনি জানায়, বর্ষায় সবজি নষ্ট হয়ে গেছে বলে দাম বেশি ধরছেন বিক্রেতারা। কোনো সবজির দাম কম মনে হচ্ছে না। সব সবজির দাম বাড়তি। যে আলুর কেজি ছিলো ২৮ থেকে ৩০ টাকা। সেই আলু বিক্রি হচ্ছে ৩২ টাকা কেজি দরে।

অন্যদিকে, নগরীর সাহেববাজার মাছ আড়তের মাছ ব্যবসায়ী মমিন জানান, পুকুরে চাষ করা মাছের দাম কমেছে। বেড়েছে নদীর মাছের দাম।
তিনি জানান, সাহেববাজারে প্রতিকেজি রুই ২২০ থেকে ২৮০ টাকা, কাতল মাছ ২৫০ থেকে ২২০ টাকা, গ্লাসকাপ ২০০ থেকে ১৫০ টাকা, তেলাপিয়া মাছ ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, কই মাছ ১৮০ থেকে ১৫০ টাকা, মিরকা মাছ ১৪০ থেকে ১৭০ টাকা, জাপানি ১৪০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়।
মাছ কিনতে আসা সোহেল তালুকদার বলেন, মাছের দাম বেশিই মনে হচ্ছে। কিছু মাছ ছাড়া সব মাছের দাম আগের মতই রয়েছে। নদীর মাছের বেশি দাম ধরছে বিক্রেতারা।

এদিকে নদীর প্রতিকেজি ইলিশ এক হাজার থেকে ১২শো টাকা , কাটা পাতাসি ৮০০ টাকা, জিওল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, আইড় মাছ ৮০০ থেকে ৬০০ টাকা, বাইম ৮০০ থেকে ৬০০ টাকা, বোয়াল ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টেংরা ৬০০ টাকা, বাঁশপাতা ৮০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, দেশি মাগুর ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা ও ময়া মাছ ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়।
গরুর গোশত বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৪০ টাকা এবং খাশির গোশত সাড়ে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া প্রতিহালি মুরগির ডিম ৩০ থেকে ৩২ টাকায় বিক্রি হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ