সম্পর্কে জড়ালে যে বিষয়গুলোতে ছাড় দেবেন না

আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০১৯, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


সম্পর্কের শুরু মানে একজন আরেকজনের অনেককিছু মানিয়ে নিয়ে একসঙ্গে চলা। সম্পর্ক মানেই ছাড় দিয়ে চলতে জানা। কিন্তু খেয়াল রাখবেন, সেই ছাড় যেন একপাক্ষিক না হয়। কারণ সব সম্পর্কেই সামঞ্জস্যতা থাকা জরুরি। এক পক্ষ ছাড় দিয়ে গেল এবং আরেকপক্ষ পুরোটা উপভোগ করে গেল, এমনটা হলে সেই সম্পর্ক বেশিদিন সুন্দর থাকবে না। মনে রাখবেন, আপনি নিজে একজন আলাদা মানুষ। আপনার সমস্ত পছন্দ-অপছন্দ নিয়েই আপনি। তাই সেসব বিসর্জন দিতে যাবেন না।
গুরুত্ব দিন নিজের পছন্দকে: সঙ্গীর পছন্দকে গুরুত্ব দেয়া দোষের কিছু নয়। তবে নিজের পছন্দকে অবহেলা করবেন না যেন। নিজের পছন্দ-অপছন্দ শুরুতেই জানিয়ে দিন। নিজের পছন্দ আড়াল করে সঙ্গীর পছন্দ মেনে নিলে পরে তাই নিয়ে মনে ক্ষোভ তৈরি হতে পারে। তারচেয়ে বরং সঙ্গীর পছন্দের পাশাপাশি নিজের পছন্দকেও সমান গুরুত্ব দিন।
দাম দিন নিজের সময়ের: আপনার সময়ের দাম যে কোনো অংশে কম নয়, সে বিষয়ে প্রথমেই সঙ্গীকে অবগত করুন। তিনি ডাকলেই যখন তখন ছুটে যান কিন্তু আপনার জন্য আলাদা করে তার সময় হয় না এমনটা হলে সতর্ক হোন। আপনি তাকে কতটা মূল্যায়ন করেন এবং নিজে তার কাছে কতটা মূল্যায়ন আশা করেন তা তাকে স্পষ্ট জানিয়ে দিন।
ঝগড়া করুন: অবাক হলেন? ঝগড়া হওয়া কিন্তু একটি সম্পর্কের জন্য ভালো। সাধারণত ঝগড়ার সময় মেয়েরা চুপ করে যান। কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান না হয়ে আরও বাড়ে। তাই অযৌক্তিক ঝগড়া না করে বরং দুজনে মিলে সমস্যার মূল খুঁজে বের করুন। বোঝাপড়ার ঘাটতিটা টের পেলে তা পুষিয়ে নেয়া সহজ হবে।
যার যার নিজস্বতা থাকুক: দুজন মানুষের মধ্যে পুরোটাই যে মিল থাকবে এমনটা ভাবা অবান্তর। বরং বেশিরভাগ অমিল থাকাই স্বাভাবিক। তাই অমিল নিয়ে ঝগড়াঝাটি না করে মেনে নিন। তাতে ভুল বোঝাবুঝি কম হবে। সম্পর্কও সুন্দর থাকবে।
স্পেস দিন নিজেকে: সঙ্গীকে ঠিক ততটা স্পেস দিন যতটা আপনি নিজের জন্য রাখতে পারবেন। সব সময় সঙ্গীর সঙ্গে বাইরে বের হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। দুজনেরই আলাদা আলাদা বন্ধু সার্কেল থাকতে পারে। তাদের সঙ্গে আলাদা করে আড্ডা দেয়াই যেতে পারে। শপিং কিংবা বেরোনোর সময়ও সব সময় সঙ্গীকে সঙ্গে রাখার অর্থ নেই। সঙ্গীর সময় না হলে নিজেই ঘুরে বেড়ান, শপিং করুন। মেজাজ ফুরফুরে থাকবে।
শখগুলো বাঁচিয়ে রাখুন: প্রেম বা বিয়ের সম্পর্কে জড়ালে মানুষ অনেক প্রিয় বিষয়ই এড়িয়ে চলতে শুরু করে। যেমন ছবি আঁকা, গান গাওয়া, কবিতা আবৃত্তি ইত্যাদি। কিন্তু যে বৈশিষ্ট্যগুলো মিলিয়েই আপনি তার থেকে দূরে সরে গেলে বরং নিজস্বতা হারাবেন। তাই যা কিছু শখ কিংবা প্রিয় কাজ, তা ধরে রাখুন। নিয়মিত চর্চা করুন।
আত্মবিশ্বাস: সঙ্গী কিংবা কারও কথায় কখনো আত্মবিশ্বাস হারাবেন না। নিজের প্রতি সবটুকু বিশ্বাস টিকিয়ে রাখুন। প্রত্যাশাগুলো সত্যি করতে এগিয়ে চলুন। কখনো যেন হতাশা গ্রাস না করে।