সরকারি মাধ্যমিকে এবারও ৪০% আসন এলাকার শিক্ষার্থীদের

আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০১৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



এবারও ঢাকা মহানগরীর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর ৪০ শতাংশ আসন সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষণের বিধান রেখে ভর্তি নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
কোন শ্রেণিতে কীভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে এবং কোন ক্ষেত্রে ভর্তি ফি কত হবে তাও ঠিক করে দেয়া হয়েছে এতে। রোববার জারিকৃত নীতিমালায় বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগরীর বিদ্যালয়গুলোর ‘ক্যাচমেন্ট’ এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করতে হবে, বাকি ৬০ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) ঢাকা মহানগরীর সব সরকারি বিদ্যালয়ের আওতাধীন ‘ক্যাচমেন্ট’ এলাকা নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করতে বলা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে অবশ্যই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ছাড়াও অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করতে হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থী নির্ধারিত তারিখের মধ্যে ভর্তি না হলে ওই তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ভর্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আর দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণির শূন্য আসনে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাই করতে হবে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে। নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি হবে জেএসসি-জেডিসির ফলের ভিত্তিতে।
প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিশুর বয়স এবারও কমপক্ষে ছয় বছর নির্ধারণ করে দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তিতে মোট আসনের ১০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণদের জন্য সংরক্ষিত রাখতে হবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যা এবং পুত্র-কন্যা পাওয়া না গেলে পুত্র-কন্যার সন্তানদের ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত থাকবে।
২ শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য ২ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। তবে এসব কোটায় ভর্তিযোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সাধারণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে আসন পূরণ করা যাবে।
কোনো প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারীর সহোদর/সহোদরা বা যমজ ভাই-বোন যদি আগে থেকে অধ্যয়নরত থাকে তবে ভর্তিতে তাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে; এই সুবিধা কারও দুই সন্তানের জন্য প্রযোজ্য হবে।
নীতমালা অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর আন্তঃজেলা বদলির কারণে বদলিকৃত কর্মস্থলের এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার উপ-পরিচালক বা শিক্ষা কর্মকর্তার প্রত্যয়ন সাপেক্ষে ওই সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানদের ভর্তির সুযোগ থাকবে।
শূন্য আসনের অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না উল্লেখ করে নীতিমালায় বলা হয়েছে, অনিবার্য কারণে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে হলে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হবে।
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালায় ভর্তি কমিটি, পরীক্ষার তারিখ ও সময়, ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি, ভর্তি ফিসহ বিভিন্ন বিষয়ের বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হয়েছে।- বিডিনিউজ