সাঈদীর মামলায় রিভিউ শুনানি ১৪ মে

আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০১৭, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের মামলায় সর্বোচ্চ আদালতের দেয়া সাজার রায় পুনর্বিবেচনার জন্য জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও রাষ্ট্রপক্ষের করা দুটি আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হবে ১৪ মে।
রিভিউ আবেদন দুটি বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চে তোলা হলে সাঈদীর আইনজীবী খোন্দকার মাহবুব হোসেন শুনানির আগে সময় চান।
তার বক্তব্য শুনে আদালত অবকাশের পরে ১৪ মে শুনানি শুরুর দিন ঠিক করে দেয়। রাষ্ট্রপক্ষে এ সময় আদালতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আপিলে সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হলেও সেই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করে খালাস চেয়েছেন এই জামায়াত নেতা। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনে ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বহাল চাওয়া হয়েছে।
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রথম অভিযুক্ত ব্যক্তি হিসাবে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সাঈদীর বিচার শুরু হয়েছিল ২০১১ সালের ৩ অক্টোবর।
হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, নির্যাতন ও ধর্মান্তরে বাধ্য করার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এরপর সাঈদী আপিল করলে ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পাঁচ বিচারকের বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে যে রায় দেয়, তাতে সাজা কমে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ আসে।
আপিলের রায়ে ১০, ১৬ ও ১৯ নম্বর অভিযোগে হত্যা, নিপীড়ন, অপহরণ, নির্যাতন, ধর্ষণ ও ধর্মান্তরে বাধ্য করায় সাঈদীকে ‘যাবজ্জীবন’ কারাদণ্ড দেয়া হয়। যাবজ্জীবন বলতে ‘স্বাভাবিক মৃত্যুর সময় পর্যন্ত’কারাবাস বোঝাবে বলে ব্যাখ্যা দেয় আদালত।
এছাড়া ৮ নম্বর অভিযোগের একাংশের জন্য সাঈদীকে ১২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৭ নম্বর অভিযোগে ১০ বছর কারাদণ্ডের আদেশ দেয় আপিল বিভাগ। এর মধ্যে ৮ ও ১০ নম্বর অভিযোগে ইব্রাহিম কুট্টি ও বিসাবালীকে হত্যা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি ঘরে আগুন দেয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাঈদীর ফাঁসির রায় দিয়েছিল।- বিডিনিউজ