সাকার স্ত্রী-ছেলেকে কেন সাজা নয় : হাইকোর্ট

আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০১৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



রায় ফাঁসের মামলায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী ও ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে এ মামলায় খালাসের রায় বাতিল করে কেন তাদের সাজা দেয়া হবে না, এ মর্মে রুলও জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার এ মামলায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাহবুবুল আহসানের আপিল গ্রহণ করে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল শহীদুল ইসলাম খান। তিনি হাইকোর্টের আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
শহীদুল ইসলাম খান বলেন, ‘আদালত আদেশের কপি পাওয়ার ছয় সপ্তাহ পর সাকা চৌধুরীর স্ত্রী-পুত্রকে আত্মসমর্পণ করতে বলেছেন। আত্মসমর্পণের পর তাদেরকে জামিন দিতে বলা হয়েছে।’
গত ১৫ সেপ্টেম্বর সাকা চৌধুরীর মামলার রায়ের খসড়া ফাঁসের মামলায় ফারহাত কাদের চৌধুরী ও হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে খালাস দেন আদালত।
বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম শামসুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। তবে এ মামলার অন্যতম আসামি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আইনজীবী ব্যারিস্টার এ কে এম ফখরুল ইসলামকে আদালত ১০ বছর কারাদ- দেন ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন।
এ ছাড়া আদালত মামলার অন্য আসামি সাকা চৌধুরীর ম্যানেজার মাহবুবুল আহসান, ব্যারিস্টার ফখরুলের সহকারী মেহেদি হাসান এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী নয়ন আলী ও ফারুক হোসেনকে সাত বছর কারাদ- দেন। পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর বিএনপি নেতা সাকা চৌধুরীকে মৃত্যুদ- দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। তবে রায়ের আগেই সালাউদ্দিন কাদেরের স্ত্রী, পরিবারের সদস্য ও আইনজীবীরা রায় ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। তারা রায়ের খসড়া কপি সংবাদকর্মীদের দেখান। পরের দিন অর্থাৎ ২ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার এ কে এম নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে শাহবাগ থানায় মামলা করেন।- রাইজিংবিডি