সাত বছর ধরে কাঁঠাল পাতা’র ব্যবসায় সোহেল

আপডেট: জুন ৮, ২০২২, ১১:০২ অপরাহ্ণ

পত্নীতলা প্রতিনিধি:


বুধবার (০৮ জুন) দুপুর ১২টা। পত্নীতলা উপজেলা সদর নজিপুর বাসস্ট্যান্ডে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ল কাঁঠলের পাতা ভর্তি একটি টলি দাঁড়িয়ে আছেন। দেখে বুঝাগেল টলির ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেছে। একজন ঠিক করার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। টলির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ফুট ফুটে চেহারার যুবকটিকে জিজ্ঞেস জানালেন, আমার বাড়ি সাবাইহাটে। নাম সোহেল, বয়স (২৪)।

সোহেল বলেন, আমি নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলা বিভিন্ন গ্রামের বাগান হতে কাঁঠাল পাতা ক্রয় করে রাজশাহী শহরে বিক্রয় করার জন্য নিয়ে যাচ্ছি। পথেই গাড়িটি বিকল হওয়ায় বিলম্ব এখানে। ঠিক হলেই রওনা দিব।

কাঁঠাল পাতা সংগ্রহ ও বিক্রয় বিষয়ে সোহেল জানান, এ কাঁঠালের পাতাগুলো পত্নীতলা, ধামইরহাট, মহাদেবপুর, মান্দা উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহকরে থাকি। অত্র এলাকার প্রায় সকল গাছ ব্যবসায়ীর নিকট আমার মোবাইল ফোন নম্বর রয়েছে। তারা কাঁঠালগাছ ক্রয় করে কাটতে গেলে আমাদেরকে জানিয়ে থাকেন।

সে মোতাবেক এসে গাছের পাতাগুলো ক্রয় করি এবং ডালের ডগার পাতা গুলো একমুঠি করে বেঁধে টলি করে রাজশাহীতে নিয়ে যাই বিক্রয় করি। একমুঠি পাতার আঁটি ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রয় করি। এ ছাড়াও ছাগল ও ভেড়ার পাইকারি ব্যবসায়ীরাও ক্রয় করে থাকেন এ পাতা।

সোহেল আরো জানায়, এ ব্যবসায় অনেকটা ঝুঁকি রয়েছে। এরপর ও এক টলি পাতা ৫শ থেকে ৭শ টাকায় ক্রয় করলে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকায় বিক্রয় হয়। খরচ বাদেই তিন থেকে চার হাজার টাকা লাভ হয়। এভাবে প্রতি মাসে ২০-২২ হাজার টাকা আয় হয়। আর এ আয় দিয়ে পিতা-মাতা আর ভাই-বোনের সংসার আল্ল¬াহর রহমতে ভালোই চলে। এ ব্যবসার সাথে প্রায় ৭ বছর ধরে জড়িত আছেন বলে জানায়।