সানরাইজার্সকে হারিয়ে আইপিএল ফাইনালে কেকেআর

আপডেট: মে ২২, ২০২৪, ১২:২৩ অপরাহ্ণ


সোনার দেশ ডেস্ক :


আইপিএল ফাইনালে কেকেআর। তিন বছর বাদে আবারো খেতাবি লড়াইয়ে নাইটরা। দশ বছর বাদে আবারো ট্রফিজয়ের হাতছানি। যে মেজাজে নাইটরা গোটা মরশুম খেলেছে, সেই মেজাজেই প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেললেন মিচেল স্টার্ক, ভেঙ্কটেশ আইয়াররা। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ কার্যত দাঁড়াতেই পারল না কেকেআর-এর সামনে।

সানরাইজার্স এ মরশুমের অন্যতম সেরা দল। কেকেআর-এর মতোই ভালো ফর্মে ছিল হায়দরাবাদের দলটিও। অনেকে ভেবেছিলেন হয়তো কোয়ালিফায়ারে খানিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে নাইট বাহিনী। কিন্তু সেসব কিছুই হল না। স্টার্ক, বরুণদের সামনে উড়ে গেলেন ট্রাভিস হেডরা, অভিষেক শর্মারা। ৩৮ বল বাকি থাকতে ৮ উইকেটে প্রথম কোয়ালিফায়ার জিতল কেকেআর।

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় সানরাইজার্স। কিন্তু ব্যাটিং সহায়ক পিচেও শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে হায়দরাবাদের টপ অর্ডার। সৌজন্যে মিচেল স্টার্ক। মরশুমের শুরুতে যার পিছনে কোটি কোটি টাকা খরচ করা নিয়ে বিস্তর প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল নাইট ম্যানেজমেন্টকে। সেই স্টার্ক বুঝিয়ে দিলেন, কেন তিনি বড় ম্যাচের ক্রিকেটার।

নতুন বলে বিধ্বংসী স্পেলে ৩ উইকেট তুলে নিলেন তিনি। ফলস্বরূপ পঞ্চম ওভার শেষ হতে না হতেই হায়দরাবাদ চার উইকেট হারিয়ে খোঁড়াতে শুরু করল। সেখান থেকে রাহুল ত্রিপাঠী (৫৫), ক্লাসেন (৩২), কামিন্স (৩০) লড়াই করে হায়দরবাদকে ১৬০ রানের সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দিলেন বটে, কিন্তু এই পিচে সেই রান লড়াই করার পক্ষে যথেষ্ট ছিল না।

১৬০ রানের টার্গেট নিয়ে খেলতে নেমে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে মারকাটারি শুরুয়াত করলেন কেকেআর ওপেনাররা। ফিল সল্টের অভাব এদিন সেভাবে বুঝতে দেননি গুরবাজ। শুরুতে ১৪ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলে চাপটা কমিয়ে দেন তিনি। নারিন করেন ২১ রান। দুই ওপেনার যতক্ষণে আউট হলেন ততক্ষণে ৬ ওভার ২ বলে ৬৭ রান স্কোরবোর্ডে।

এর পরও কামব্যাকের সুযোগ পায়নি হায়দরাবাদ। শ্রেয়স আইয়ার এবং ভেঙ্কটেশ আইয়ার আরও দ্রুত গতিতে রান তুলে ম্যাচ শেষ করে দিলেন ১৩ ওভার ৪ বলে। ভেঙ্কটেশ ২৮ বলে করলেন ৫১ রান, আর শ্রেয়স ২৪ বলে ৫৮। বস্তুত হায়দরাবাদ বোলারদের কার্যত দুরমুশ করে দিল নাইট শিবির।
২০২১ সালে শেষবার ফাইনাল খেলেছিল নাইটরা। সেবার হারের মুখ দেখতে হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে।

এবার সেই চেন্নাইয়ের ঘরের মাঠেই খেলা। নাইটরা চাইবে একুশের অধরা স্বপ্ন ২৪-এ পূরণ করতে। ১০ বছর বাদে ফের ট্রফি কলকাতায় আনতে। এ পর্যন্ত শ্রেয়স ব্রিগেডের যা পারফরম্যান্স, তাতে ফাইনালেও ফেভারিট হিসাবে নামবে কলকাতাই। ওদিকে হায়দরাবাদের কাছেও ফাইনালে খেলার সুযোগ রয়েছে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার জিতলে ফাইনালে চলে আসতে পারবেন হেডরাও।
তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Exit mobile version