সাপাহারে বিয়ের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২২, ৬:২১ অপরাহ্ণ

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি :


নওগাঁর সাপাহারে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে (২৮) ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ওই নারী ৩ জানুয়ারি সোমবার নওগাঁর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলা করেন।

মামলায় নিশ্চিতপুর থ্রি-স্টার ফিলিংস্টেশনের স্বত্বাধিকারী মিলনসহ দুইজনকে আসামি করা হয়েছে। প্রধান আসামি হলেন উপজেলার নিশ্চিতপুর থ্রি-স্টার ফিলিংস্টেশনের স্বত্বাধিকারী ও মাইপুর গ্রামের মৃত ইসাহাক আলীর ছেলে মো. মিলন (২২)। অন্য দুই আসামি হলেন একই গ্রামের মৃত হাজী কুদ্দুস মন্ডলের ছেলে মো. রেজাউল (৩৬) ও মৃত তমিজ উদ্দীন মন্ডলের ছেলে মো. বারীক (৪৬)। ওই নারীর বাড়ি নওগাঁর সাপাহার উপজেলায়।

আদালতে দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রধান আসামি মিলন ওই নারীকে বিভিন্ন সময়ে চলার পথে বিভিন্ন ভাবে কু-প্রস্তাব দিতো। ওই নারী প্রধান আসামি মিলনের কু-প্রস্তাবে সাড়া না দিলে ১ নং আসামি ২ ও ৩ নং আসামির কু-পরামর্শে ওই নারীকে

য়ের প্রলোভন দেখায়। অতঃপর ২ ও ৩ নং আসামি ওই নারীকে প্রধান আসামি মিলনের সাথে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। একপর্যায়ে ওই নারী মিলনের সাথে বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হলে ২০২১ সালের ১১ জুন শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে মিলন, রেজাউল ও বারীক একজন অপরিচিত বয়স্ক ব্যকক্তিকে মৌলভী পরিচয়ে ওই নারীর বসতবাড়িতে নিয়ে যায়।

সময় দোয়া পড়ে রেজাউল ও বারীককে সাক্ষী দেখিয়ে ওই নারীর সাথে মিলনের বিবাহ সম্পন্ন হয়। ওই নারীর কাছে এভাবে বিবাহের বিশ্বাস স্থাপন করে ওই রাতে তার

ড়িতে শারীরিক ও দৈহিক মেলামেশা করেন মামলার প্রধান আসামি মিলন। এরপর বিভিন্ন সময়ে ওই নারীর বসত বাড়িতে এবং নজিপুরে একটি ভাড়া বাসায় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে মিলন। পরবর্তীতে ওই নারী বিয়ে রেজিস্ট্রি করার জন্য মিলনকে তাগিদ দিলে আজকাল বলে তালবাহানা করতে থাকে মিলন। অতঃপর ওই নারী গর্ভবতী

লে মামলার প্রধান আসামী মিলন মৌলভী দ্বারা বিবাহের বিষয়টি অস্বীকার করে এবং ওই নারীর গর্ভের সন্তান তার নয় বলে জানিয়ে দেয়। উক্ত কথা শুনে ওই নারী হতভম্ব ও দিশেহারা হয়ে পড়েন। প্রধান আসামি বিবাহের বিশ্বাস স্থাপন করে ওই নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। যার ফলে মামলার বাদি গর্ভবতী হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য প্রধান আসামি মিলনের খোঁজ করতে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনও বন্ধ রয়েছে।

বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম মর্তুজা মাহাতাব উদ্দীন জানান, মামলাটি গ্রহণ করে পি,বি,আই কে তদন্ত করে আগামী ৯ ফেব্রæয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।