সামান্য বৃষ্টিতে কেশরহাট পৌরবাসীর দুর্ভোগ

আপডেট: মে ১৩, ২০২২, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ

মোস্তফা কামাল, মোহনপুর:


মোহনপুর উপজেলার একমাত্র পৌরসভার নাম কেশরহাট পৌরসভা। পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পানি নিষ্কাশন সুব্যবস্থা না থাকার কারণে চরম জনদূর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী। ২০০৩ সালে পৌরসভাটি প্রতিষ্ঠার পর জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্বহীনতা ও অনিয়ম দুর্নীতির কারণে দীর্ঘদিন যাবত উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল পৌরবাসী।

পরবর্তীতে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও মোহনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শহিদুজ্জামান মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি অনেকটায় উন্নয়ন করলেও তার গুরুত্বহীনতার কারণে অনেক নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছে অভিযোগ করেন অনেকই।

সামান্য বৃষ্টি হলেই কেশরহাটের বাজারের গরুহাটা সড়কসহ কেশরহাট-ভবানীগঞ্জ সড়কের নাহার প্লাজা সংলগ্ন রাস্তা হাঁটু পানিতে দীর্ঘ সময় তলিয়ে থাকে। এজন্য পথচারীসহ যান চলাচলে দূর্ভোগর সৃষ্টি হয়।

এছাড়াও পৌর এলাকার বিভিন্ন মহল্লায় প্রয়োজনীয় সংক্ষক ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার কারণে অধিকাংশ স্থানে সীমাহীন দূর্ভোগের সৃষ্টি হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। এজন্য পানি নিষ্কাশনে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পৌর মেয়রের নজরদারি কামনা করেছে পৌরবাসী।

কেশরহাট পৌর এলাকার হরিদাগাছি মহল্লার নওশাদ আলী জানান, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা বা পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকার কারণে সামান্য বৃষ্টিতে চরম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। রাস্তার চেয়ে ড্রেন উঁচু এবং ফুটা না রাখার কারণে পানি নামতে পারেনা। ফলে জনসাধারণের দূর্ভোগের অন্ত নাই।

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসলাম হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতার বিষয়ে মেয়র মহোদয়কে অবগত করেছি। শ্রোতের বিপরীতে ড্রেনেজ নির্মাণসহ বড় বড় বিল্ডিং নির্মাণের জন্য এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এটি নিরসনের জন্য রাস্তা উঁচু করা ছাড়া উপায় নাই।

এ বিষয়ে কেশরহাট পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামানের মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি জানান, পানি নিষ্কাশনের জন্য অধিকাংশ স্থানে ড্রেনেজ নির্মাণ করা হলেও জনসাধারণ নানা ভাবে সেগুলো অকেজো করে রেখেছে।

ভবানীগঞ্জ সড়কের নাহার প্লাজার কাছে বড় বড় ভবন নির্মাণ করে ড্রেনেজ অকেজো করে ফেলা হয়েছে। এসব ভবন নির্মাণে পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতি নেয়া হয়নি বরং অপরিকল্পিত ভাবে ভবন নির্মাণের সময় প্রশাসনের বাধা নিষেধ অমান্য করে ভবন নির্মাণ করার কারণে ওই স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। তবে জনস্বার্থে বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ