সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে : বাদশা

আপডেট: জুন ২৬, ২০২২, ৯:১৮ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধান চারটি মূলনীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। ধর্মীয় স্বাধীনতা নাগরিকদের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত। প্রত্যেক মানুষ তার নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। এক্ষেত্রে কোনো বাধা দেওয়া যাবে না। যারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’

রোববার (২৬ জুন) দুপুরে নগরীর হোটেল গ্রান্ড রিভারভিউর সম্মেলন কক্ষে আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশনের আয়োজিত আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম (ইউডব্লিউএস) প্রকল্পের আওতায় লার্নিং অ্যান্ড শেয়ারিং শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

কর্মশালায় রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা আরও বলেন, র্ধমীয় স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করতে হলে মানুষকে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতি সংবদেনশীল হতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পরিবারকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

সরকারের পাশাপাশি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানগুলোকে একযোগে কাজ করতে হবে। তবেই সমাজে ধর্মীয় বিভেদ ও অশান্তি প্রতিষ্ঠার অপপ্রচার রোধ করা সম্ভব হবে।

এছাড়াও শিক্ষাক্ষেত্রে অভিন্ন ধর্ম শিক্ষা গ্রন্থ, শক্তিশালী আইন ও বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ধর্মীয় সংঘাত সৃষ্টিকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। ধর্মীয় সহিংসতা সৃষ্টিকারীদের ফৌজদারি অপরাধ সংক্রান্ত দ-বিধি ও ডিজিটাল সুরক্ষা আইন অনুযায়ী শান্তির বিধান নিশ্চিত করতে হবে।

বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ধর্ম সম্পর্কিত পরিষদকে একযোগে একটি প্ল্যাটফর্মে আনতে হবে। সেই সাথে তিনি ধর্মীয় সংখ্যালঘুসহ তৃতীয় লিঙ্গ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও হরিজনদের ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার জন্যএশিয়া ফাউন্ডেশন বাংলাদেশকে সাধুবাদ জানান।

কর্মশালায় দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর মো: সাদাত সদরুদ্দিন শিবলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি তপন কুমার সেন।

রাজশাহী আবৃত্তি পরিষদের সহ-সম্পাদক মনিরা রহমান মিঠির সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্যে ইউডব্লিউএস প্রকল্পের সার্বিক দিক উপস্থাপন করেন সিনিয়র প্রজেক্ট অফিসার মাহমুদা সুলতানা স্নিগ্ধা । তিনি প্রজেক্টের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

এছাড়াও কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন, ইসলামি ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, হিন্দু-বোদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধি, পুজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধি, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সদস্য, বিভিন্ন বেসরকারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের সদস্যবৃন্দ, যুবা ও নারীসহ প্রোজক্টেরে সাথে যুক্ত অংশিজন ও প্রোজক্টেরে র্কমর্কতাসহ মোট ২৫০ জন ব্যক্তিবর্গ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ