সাহেদের অস্ত্র মামলার রায় ২৮ সেপ্টেম্বর

আপডেট: September 20, 2020, 8:37 pm

সোনার দেশ ডেস্ক :


ঢাকার অস্ত্র আইনের মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের সাজা হবে কি না, তা জানা যাবে ২৮ সেপ্টেম্বর।
ঢাকার মহানগর ১ নম্বর বিশেষ ট্রাইবুনালের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ সেদিন এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।
দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রোববার বিচারক রায়ের এই দিন ঠিক করে দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাপস পাল জানান।
জালিয়াতি-প্রতরণায় আলোচিত সাহেদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া কয়েক ডজন মামলার মধ্যে উত্তরা পশ্চিম থানার এই অস্ত্র আইনের মামলাই প্রথম রায়ের পর্যায়ে এল।
গত ২৭ অগাস্ট অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর পর এ মামলার কাজ এগিয়েছে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে। রাষ্ট্রপক্ষে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে মোট ১১ জনের সাক্ষ্য শুনেছে আদালত।
অভিযোগ গঠনের তারিখ থেকে মোট আট কার্যদিবস শুনানি শেষে এ মামলা এক মাসের মধ্যেই রায়ের পর্যায়ে এল বলে আসমি পক্ষের আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান জানান।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি আবদুল্লাহ আবু যুক্তিতর্ক শুনানিতে আদালতকে বলেন, সাহেদের গাড়ি থেকে উদ্ধার করা অবৈধ অস্ত্রটি যে তার, সেটা রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য-প্রমাণের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করতে ‘সক্ষম হয়েছে’। সুতরাং অস্ত্র আইনে নির্ধারিত সব্বোর্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডই তারা চান।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো.মনিরুজ্জামান বলেছেন, ওই অস্ত্রের বিষয়ে সাহেদের ‘কোনো নিয়ন্ত্রণ জ্ঞান ছিল না’। মামলায় তার খালাস পাওয়া উচিৎ।
আসামি সাহেদও গত ১৬ সেপ্টেম্বর আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি দাবি করেন, যে অস্ত্রের কথা এ মামলায় বলা হচ্ছে, সেটা তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়নি।
রিজেন্ট হাসপাতালে কোভিড-১৯ পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণা ও জালিয়াতির ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে গত ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাহেদকে।
ওই মামলায় গোয়েন্দা পুলিশের রিমান্ডে থাকার সময় ১৮ জুলাই রাতে সাহেদকে নিয়ে উত্তরায় অভিযান চালিয়ে তার একটি গাড়ি থেকে গুলিসহ একটি পিস্তল এবং কিছু মাদক জব্দ করা হয়।
ওই ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় অস্ত্র আইনে এই মামলা করে পুলিশ। এরপর গত ৩০ জুলাই ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. সাইরুল ইসলাম।
অস্ত্র আইনের ১৯ (এ) ধারায় দায়ের করা এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ