সুনাক সরকারের কঠোর মনোভাবের পরেও ব্রিটেনে অভিবাসী সংখ্যায় শীর্ষে ভারতীয়রা

আপডেট: মে ২৫, ২০২৪, ১:৩৭ অপরাহ্ণ


সোনার দেশ ডেস্ক :


অস্বাভাবিক হারে অভিবাসন সংখ্যা বেড়েছে ব্রিটেনে। যা নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছিলেন সেদেশের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। কিন্তু, তাও দেখা গেল ব্রিটেনে অভিবাসীদের সংখ্যায় অন্যান্য দেশকে অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়েছে ভারতীয়রা। ২০২৩ সালে অভিবাসনের নিরিখে ভারতের স্থান সবার উপরে।

জানা গিয়েছে, প্রায় আড়াই লাখ ভারতীয় ব্রিটেনের অভিবাসী হয়েছেন। এর মধ্যে শিক্ষা এবং চাকরির কারণটাই সব থেকে বেশি। অভিবাসন নিয়ে ২০২৩ সালের তথ্য প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সরকার। তাতে দেখা গিয়েছে, ১ লাখ ২৭ হাজার চাকরির জন্য, ১ লাখ ১৫ হাজার পড়াশোনার জন্য এবং ৯ হাজার ভারতীয় অন্যান্য কারণে যুক্তরাজ্যের অভিবাসী হয়েছেন।

ব্রিটেনের শেষ জনগণনায় স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস-এ প্রত্যেক ৬ জনের মধ্যে এক জন এমন রয়েছেন যাঁর জন্ম ব্রিটেনের বাইরে। দেশের বাইরে জন্ম এমন ব্রিটেনবাসীর সংখ্যা ২০০১ সালে ছিল ৪৫ লক্ষের কিছু বেশি। তবে এখন তা এক কোটি পেরিয়ে গিয়েছে।

এবং এর মধ্যে অধিকাংশই ভারতীয়। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পোল্যান্ড, তৃতীয়ে পাকিস্তান এবং চতুর্থে রোমানিয়া। পরিস্থিতি এমন যে দেশের বেশ কয়েকটি বোরোয় ব্রিটেনে জন্ম হয়নি এমন বাসিন্দার সংখ্যা ৫০ শতাংশেরও বেশি। যেমন উত্তর পশ্চিম লন্ডনের ব্রেন্ট। সেখানকার ৫৬ দশমিক ১% বাসিন্দাই এসেছেন বাইরে থেকে!

এই অঞ্চলেও প্রচুর ভারতীয়ের বাস। পাশাপাশি পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফ্রিকা এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশ থেকে আসা বহু মানুষের ঠিকানাও এই বোরো। তা ছাড়া, ওয়েস্টমিনস্টার এবং হ্যারোয় বসবাসকারীদের মধ্যে যথাক্রমে ৫৫ দশমিক ৬% এবং ৫১ দশমিক ১% ব্রিটেনের আদি বাসিন্দা নন।

এর পর তালিকায় নাম রয়েছে কেনসিংটন, চেলসি, নিউহ্যামের। যে সংখ্যা ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী ব্রিটেনে। বর্তমানে সুনাক সরকারের কাছেও যা প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে অন্যতম।
তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন অনলাইন

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ