সেই হেরাথের বিষেই শেষ বাংলাদেশ

আপডেট: মার্চ ১২, ২০১৭, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



মুরালিধরনের যুগ শেষ হয়েছে সেই ২০১০ সালে। এরপর লঙ্কানদের হাল ধরেছিলেন রঙ্গনা হেরাথ। বর্তমান শ্রীলঙ্কা দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারই তিনি। হেরাথ ছাড়া আর যারা খেলছেন তাদের মধ্যে লাকমল আর চান্দিমালই অভিজ্ঞ। বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে দুইজনই খেলেছিলেন ৩৪টি করে টেস্ট। গলে সিরিজের প্রথম টেস্টে তাই বাংলাদেশের আতঙ্ক ছিলেন হেরাথ। আর সেই হেরাথের স্পিন বিষেই গল টেস্টে হারতে হলো বাংলাদেশকে।
টেস্ট শুরুর আগে বাংলাদেশকে এগিয়ে রেখেছিল ক্রিকেটবোদ্ধারা। কারণ অভিজ্ঞতায় স্বাগতিকদের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে টাইগাররা। এক হেরাথকে মানা হয়েছিল লঙ্কানদের কা-ারি। আর নিয়মিত অধিনায়কের অনুপস্থিতিতে অধিনায়কত্বের ব্যাজ হাতে পড়তে হয় তাকে। তার উপর রাখা আস্থার ষোলোআনাই পুষিয়ে দেন এ বাঁহাতি।
গতকাল শনিবার সকালে ম্যাচ বাঁচানোর স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। হাতে ছিল ১০টি উইকেট। আগের দিনে দারুণ ব্যাটিং করা সৌম্য আর তামিমের ব্যাটে সে স্বপ্নের বাস্তবায়ন অসম্ভবও ছিল না। তবে সে স্বপ্নকে স্বপ্নই বানিয়ে দেন হেরাথ। দ্বিতীয় ইনিংসে একাই তুলে নিয়েছেন ৬ উইকেট।
ক্যারিয়ারের শুরুতে মুরালির ছায়া হয়েই ছিলেন হেরাথ। তবে মুরালি যুগের অবসানের পর তিনিই লঙ্কানদের সেরা তারকা। তবে এদিন শুরুটা করেছিলেন গুনারাতেœ ও পেরেরা। এরপরই শুরু হয় হেরাথের স্পিন ঘূর্ণি। শুরুতেই দারুণ এক বলে আউট করেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে। এরপর একে একে তিনি ফেরান মাহমুদউল্লাহ, লিটন দাস, তাসকিন, মোস্তাফিজ ও মিরাজকে।
বাংলাদেশকে স্পিন বিষে পোড়ানোর দিনে নিজেই এক মাইলফলকে পা দিয়েছেন হেরাথ। বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে নিউজিল্যান্ডের ড্যানিয়েল ভেট্টরির রেকর্ড ভাঙেন তিনি। এতদিন ৩৬২ উইকেট নিয়ে বাঁহাতি স্পিনারদের শীর্ষে ছিলেন ভেট্টরি। এদিন লিটন দাসকে পেয়ে ভেট্টরিকে টপকে যান হেরাথ। ৩৬৬ উইকেট পেয়ে এখন বাঁহাতি স্পিনারদের মধ্যে শীর্ষ উইকেট শিকারি এখন এ লঙ্কান।