সেপ্টেম্বরে উৎপাদনে যাচ্ছে সাঁকোয়াটেক্স ।। রফতানি হবে বিশ্বমানের সোয়েটার

আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৭, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


রাজশাহীতে সোয়েটার (গামের্ন্টস) কারখানার নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসেই উৎপদান শুরু করবে কারখানাটি। কারখানা উদ্বোধনের প্রস্তুতিও শেষ পর্যায়ে। নগরীর বিসিক এলাকায় এ কারখানা স্থাপন করেছে রাজশাহীর বাগমারার সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এনাগ্রুপ। এটি স্থাপনের ফলে উত্তরাঞ্চলের ব্যবসার দ্বার উন্মোচিত হবে। সে সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ে পাঁচ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। কারখানাটি হবে রাজশাহী তথা উত্তরাঞ্চলের প্রথম সোয়োটার কারখানা। এর আগে রাজশাহীতে ছোট ও মাঝারি আকারের শিল্প কারখানা স্থাপন করা হলেও বড় কোনো কারখানা গড়ে উঠেনি।
এদিকে গতকাল শনিবার দপুরে নগরীর বিসিক এলাকার কারখানা কমপ্লেক্সে সাংসদ এনামুল হক সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এসময় তিনি বলেন, বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা হয়েছে। কারণ, রাজশাহী সম্ভাবনাময় অঞ্চল। এখানে অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কিন্তু সীমাবদ্ধতাকেই সম্ভাবনা মনে করছি আমরা। আর একারণেই রাজশাহী থেকে বিশ্বমানের সোয়েটার উৎপাদনের জন্য কারখানা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
সাংসদ এনামুল বলেন, ইতোমধ্যে জাপান থেকে সর্বাধুনিক মেশিনারিজ কারখানা কম্পাউন্ডে এসে পৌঁছেছে। আগামি ১৫দিনের মধ্যে এগুলো অ্যাসেম্বলিং করার কাজ শেষ হবে। আশা করছি, আগামি সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে কারখানাটি উৎপাদনে যাবে। আর আগামি ৫ বছরের জন্য ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সোয়েটার রফতানির অর্ডার ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে। এর ফলে উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুনমাত্রা যোগ হবে।
‘সাকোয়াটেক্সের’ প্রকল্প পরিচালক আসিফ রহমান জানান, কারখানার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি জাপান থেকে আমদানি ও প্রশিক্ষণ ইতোমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে। শতভাগ রফতানিমুখি কারখানাটিতে জনবল নিয়োগের কাজও শুরু হয়েছে।
কারখানার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানান, রাজশাহীতে গ্যাস পৌঁছানোর ফলে কারখানাটি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। এজন্য নগরীর বিসিক শিল্প এলাকাকে নির্বাচিত করে সেখানে নির্মাণ কাজও প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। কারখানাটিতে প্রথমদিকে প্রতিমাসে এক লাখ ২০ হাজার সোয়েটার তৈরি করা সম্ভব হবে। পরে তা বাড়িয়ে ১০ লাখ এ উন্নীত করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ