সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন দুই বছর ধরে বন্ধ দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেয়া হোক

আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২২, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ

কোভিড-১৯ অনেকটাই মানব জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈশ্বিক এই মহামারি দ্রুতই প্রশমিত হবে এমনটি দৃঢ়তার সাথে বলা যাচ্ছে না। তবে বিশ্বের মানুষ অনেকটা মেনেই নিয়েছে যে, করোনা নিয়েই চলতে অভ্যস্ত হতে হবে। বিশ্ব পরিস্থিতি তেমনই। করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে যাবতীয় কার্যক্রম চলছে। দেশ বিদেশের সাথে সব ধরনের যোগাযোগ ইতোমধ্যেই স্থাপিত হয়েছে।
কিন্তু দুই বছরেরও অধিক সময় ধরে বন্ধ হওয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ সোনামসজিদ দিয়ে ভারত গমনের ভিসা বন্ধ আছে। ইমগ্রেশন সেন্টার কাজ করছে না। সেনামসজিদ ইমিগ্রেশন বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে আমদানি- রফতানি কার্যক্রম চালু আছে। প্রশ্ন হচ্ছেÑ ইমিগ্রেশন কেন্দ্র চালু হচ্ছে না কেন? এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী করোনার কারণে ২০২০ সালের ১৫ মার্চ বন্ধ হয়ে যায় সোনামসজিদ দিয়ে ভারত গমনের ভিসা। দুই দেশের মধ্যে সবকিছুই স্বাভাবিক পর্যায়ে আসলেও সোনামসজিদ দিয়ে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম চালু হয়নি। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, বিশেষ করে রাজশাহী অঞ্চলের মানুষ বিভিন্ন কাজে যারা ভারতে যায়, তারা সাধারণত সোনামসজিদ দিয়ে ভারতে যাতায়াত করতেন। কিন্তু তারা এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অথচ এই অঞ্চলের মানুষকে দূরপথ অর্থাৎ বেনাপোল হয়ে ভারতে যেতে হচ্ছে। এটা এই অঞ্চলের ভারত গমেণেচ্ছু মানুষদের জন্য সময় সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুলদুর্ভোগ তো আছেই।
বলা হয়ে থাকে, ভারতের সাথে পরস্পর যোগাযোগের ক্ষেত্র আরো বাড়াতে হবে। যার জন্য ভারত যাওয়ার ক্ষেত্রে আরো সহজতর নিয়ম-কানুন চালু করতে হবে। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে সেটা হচ্ছে না। অথচ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ থেকে সংখ্যাধিক্য মানুষ ভারতে যায় চিকিৎসা নেয়ার জন্য। স্বাভাবিকভাবেই রোগি ও তার আত্মীয়-স্বজনদের ভারতের বিভিন্ন স্থানে হাসপাতালে যেতে হয়। এই মানুষেরা নিশ্চিতভাবেই কাছের এবং সহজপথেই ভারত যেতে চাইবে। রাজশাহী অঞ্চলের মানুষের জন্য সোনা মসজিদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থলপথ।
সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চালু করা উভয় দেশের কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় নেয়া উচিত হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ