স্কুল ছুটির পর শিক্ষার্থীদের আড্ডা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আরেক চ্যালেঞ্জ!

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ

দীর্ঘ সময় পর খুলেছে স্কুল-কলেজ। আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। সেটাই স্বাভাবিক। প্রিয় প্রাঙ্গণে প্রাণের প্রাচুর্যে ভরবে স্কুল-কলেজবেলা সেটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না যে, ঘাড়ের ওপর এখনো নিশ্বাস ফেলছে করোনাভাইরাস। সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে সংযত থাকা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা মানার অন্য কোনো বিকল্প নেই। এ সচেতনতা শিক্ষার্থীর, অভিভাবকের, শিক্ষকের এবং শিক্ষা-সম্পর্কিত সকলের। সীমা অতিক্রম বিপদের মাত্রা আবারো বাড়িয়ে দিতে পারে।
দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে-স্কুল কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী উপস্থিতি ৮০ শতাংশের মত। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা এটাকে স্বাভাবিকই বলছেন। কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর বড় চ্যালেঞ্জ হলো- সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যবিধিসহ ১৯ দফা নির্দেশনার প্রতিপালন নিশ্চিত করা। কাজটি মোটেও সহজ নয় তবে সকলের দায়িত্বশীল ভূমিকা থাকলে অসাধ্যও কিছু নয়। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উদাসীনতায় ক্লাস রুমের বাইরে উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি।
স্কুলের বাইরে শিক্ষার্থীরা কোথায় যাচ্ছে? সরাসরি বাড়ি ফিরছে নাকি- অন্যত্র আড্ডা দিচ্ছে। আড্ডা অবস্থায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা মানা হচ্ছে কী? করোনাকালে এটা অত্যন্ত সংবেদনশীল ব্যাপার। এটাকে কীভাবে বশে রাখা যায় সেটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের কাল বিলম্ব না করে বিবেচনায় নিতে হবে।
পত্রিকার খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, স্কুল ছুটির পর শিক্ষার্থীদের চুটিয়ে আড্ডা দিতে দেখা গেছে। সেখানে কোনোরূপ স্বাস্থ্য সুরক্ষা মানা হচ্ছে না। মাস্ক ছাড়াই দলবেধে ঘুরছে, জটলায় বসে আড্ডা দিচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের দাবি রাখে।
অভিভাবকদের ভূমিকা এ ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই সাথে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানও প্রতি ক্লাসে এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সতর্কতামূলক পরামর্শ দিবে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো উপায়ে অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেন। যাতে করে শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেয় এবং যৌথভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়।
সময়টা মোটেও অনুকূল নয় তাই সব বিবেচনাকে নৈতিক দায় হিসেবে নেয়া আমাদের সবার জন্য কল্যাণ হবে। এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার যৌক্তিতাও প্রমাণ হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ