স্কুল স্কুলে বই উৎসব || দুর্গম এলাকায়ও বছরের প্রথম দিনে বই পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা: লিটন

আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২০, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


অগ্রণী স্কুলে বই বিতরণ অনুষ্ঠানে সিটি  মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনসহ অন্যরা-সোনার দেশ

বই উৎসব। খুব সকালেই শীতের জড়তা ভেঙে স্কুলে আসে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। নতুন বছরে নতুন বই নিতে। প্রতিটি স্কুলে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন বই পাওয়া আগ্রহটা ছিলো সীমাহীন। নতুন বইয়ের গন্ধে সোনামণিরা ছিল ব্যাকুল।
এক ক্লাস থেকে অন্য ক্লাসে উঠা বেশ আনন্দের। তার থেকে বেশি আনন্দের বিচিত্র সব রঙের নতুন বই। সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত হয়েছে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। তাদের কাছে প্রথম স্কুলে ভর্তি, আবার নতুন বই। তাদের আনন্দটা দিগুন বাড়িয়ে দেয়। কোমলমতি এমন শিক্ষার্থীরা বেশি মাতে বই উৎসবে।
সকালে রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পাঠ্যপুস্তক উৎসব-২০২০ অনুষ্ঠিত হয়। নতুন বই পেয়ে আনন্দিত শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার দুপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা রাজশাহী অঞ্চলের আয়োজনে নগরীর অগ্রণী বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়ে পাঠ্যপুস্তবক উৎসবের উদ্বোধন করেন, সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, বছরের প্রথম দিনে সারাদেশে প্রায় ৩৫ কোটি বই বিতরণ করা হচ্ছে। দুর্গম এলাকায়ও শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই এটি সম্ভব হয়েছে। শুধু শিক্ষাক্ষেত্রে নয়, চিকিৎসা, বিদ্যুৎ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সড়ক ও ফ্লাইওভার নির্মাণ, নতুন ট্রেন ও ট্রেন লাইন নির্মাণসহ দেশের সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। মানুষের জীবনযাত্রার ধরন পাল্টে গেছে, মাথাপিছু আয় বেড়েছে। এভাবেই বিরামহীনভাবে দেশের উন্নয়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মেয়র আরো বলেন, সরকার বিনামূল্যে বই বিতরণ করছে, এটাকে আমি শুধুই বিনামূল্যে বিতরণ বলবো না, এটি আসলে বিনিয়োগ। এক্ষেত্রে লাভ হবে, আমরা একটা শিক্ষিত জাতি পাব। যে জাতি কারো কাছে মাথা নত করবে না, মানুষের কল্যাণে কাজ করবে।
অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, সন্তানদের ভালো ফলাফলের দিকে শুধু তাকালে হবে না, তাদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাদের মধ্যে মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতাসহ সকল শহিদের সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। তাহলে আপনার সন্তান সুসন্তান হিসেবে গড়ে উঠবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা রাজশাহী অঞ্চলের উপ-পরিচালক ড. শরমিন ফেরদৌস চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাজশাহী জেলা প্রশাসক হামিদুল হক, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. সেলিম হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা রাজশাহী বিভাগের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ ও রাজশাহী জেলা শিক্ষা অফিসার নাসির উদ্দিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন অগ্রণী বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম ও শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন, গভর্নিং বডির সভাপতি মোশারফ হোসেন বাচ্চু। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে পাঠ্যপুস্তবক উৎসবের উদ্বোধন করেন মেয়র। এরআগে বর্ণিল আয়োজন ও ফুলেল শুভেচ্ছায় অতিথিদের বরণ করেন নেন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে সরকারি পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়েছেন রাসিক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন। রাজশাহী জেলা প্রশাসক হামিদুল হাকের সভাপতিত্বে বই বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক তৌহিদ আরা। এরপর রাজশাহী লোকনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বই বিতরণ করেন মেয়র। লোকনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফিরোজা বেগমের সভাপতিত্বে এই বই বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবছর রাজশাহী বিভাগে মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তকের চাহিদা ২ কোটি ৯৭ লাখ ৩৮ হাজার ৯৯৬টি ও জেলায় ৪৫ লাখ ৭৪ হাজার ৩১২টি। প্রাথমিকে বিভাগে পাঠ্যপুস্তকের চাহিদা ১ কোটি ১১ লাখ ১৬ হাজার ৫৭৪ টি ও জেলায় ১৪ লাখ ১১ হাজার ২৯৫টি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানায়, সময় মত বইগুলো পৌঁছে দেওয়া হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে। বইয়ের কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন তারা।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরক্ষর মুক্ত মানবসমাজ গড়ার লক্ষ্যকে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) স্কুলগুলোতে বই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বছরের প্রথম দিনে গতকাল বুধবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল প্রাঙ্গনে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যদ্বয় অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা ও চৌধুরী মো. জাকারিয়া।
শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে উপ-উপাচার্যদ্বয় বলেন, আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। তাদের সাফল্যেই নিহিত আছে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ। তাদের সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সবার। শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর। এই কোমলমতি শিশুদেরকে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে যাতে তারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অর্জনকারী, দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর লেখাপড়াকে আনন্দময় করে তুলতে বছরের প্রথম দিনটিতে নতুন ক্লাসের বই তাদের হাতে তুলে দিতে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা সফল করার দায়িত্ব আমাদের সবার। আমরা যদি সকলে নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি তবে আমাদের সম্মিলিত প্রয়াসে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা নির্মানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন সহজ হবে।
এসময় স্কুল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মো. আবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুলের শিক্ষক ড. মুহা. কাওসার হুসাইন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকার, প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান, শেখ রাসেল মডেল স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লিসাইয়া মেহ্জবিন, পুস্তক বিতরণ অনুষ্ঠান প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ড. মো. আমিনুল ইসলামসহ স্কুলে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।
উপশহর হাউজিং এস্টেট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়: ২০২০ সাল মুজিববর্ষ বছরের প্রথম দিন আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিশ্রুতি পূরণ করে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিচ্ছেন। এর ধারাবাহিকতায় ১ জানুয়ারি উপশহর হাউজিং এস্টেট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বই উৎসবে প্রধান অতিথি থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ।
এ সময় আসাদ বলেন, আওয়ামী লীগ সরকাররে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার উদ্যোগে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সাথে এবং বছরের প্রথম দিন থেকে নতুন বই হাতে নিয়ে বিদ্যালয়ে যাবে এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে। শিক্ষার্থীরা বছরের শুরু থেকে পড়াশুনাতে আগ্রহী হয়ে উঠবে। ভবিষ্যতে তাদের হাতেই দেশ পরিচালিত হবে। এখন থেকে যাতে সেইভাবে শিক্ষার্থীরা তৈরি হয় সে পরিকল্পনা নিয়ে সরকার এগিয়ে চলেছে। শিক্ষা এগিয়ে না গেলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন ঘটবে না। তাই সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন করছে এবং প্রতি জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে চলেছে।
এ সময় তার সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এমএমএ হুরাইরা, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলাম, ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-২ রজব আলী প্রমুখ।
খাদেমুল ইসলাম বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ: সকালে প্রথম থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দেওয়া হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল হাদী। বক্তব্য দেন, সহকারী প্রধান শিক্ষক রতন কুমার মন্ডল। সভাপতিত্ব করেন, অধ্যক্ষ রণজিৎ কুমার সাহা।
সঞ্চালনা করেন, সহকারী অধ্যাপক শিরীনা পারভীন।
রাজশাহী দারুস সালাম কামিল মাদ্রাসা: সকালে বই উৎসবের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সাংসদ বাদশার সহধর্মিনী তসলিমা খাতুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, থানা মাধ্যমকি শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান, সাবেক অধ্যক্ষ লিয়াকত আলী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, মাদাসার অধ্যক্ষ এইচএম শহীদুল ইসলাম।
মেহেরচন্ডী উচ্চ বিদ্যালয়: বই উৎসব দিবস উপলক্ষে মেহেরচন্ডী উচ্চ বিদ্যালয়ে সকাল সাড়ে ১১টায় শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন, নগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধ অধ্যাপক রুহুল আমিন প্রামাণিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড (পূর্ব) আওয়ামী লীগ সাবেক সভাপতি মিনাজ্জুল হোসেন বাবু, বঙ্গবন্ধু পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও রাসিকের প্যানেল মেয়র-১ সরিফুল ইসলাম বাবু। প্রধান শিক্ষক হায়দার আলীর আয়োজনে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, হামিদপুর নওদাপাড়া হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আফসার আলী, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড (পূর্ব) আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক।
স্মৃতি একাত্তর স্কুল: নতুন বছরে বিনামূল্যে নতুন বই হাতে পেয়ে উৎসবে মাতোয়ারা কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। বেলা সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর হাদিরমোড় এলাকায় অবস্থিত স্মৃতি একাত্তর স্কুলের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতলের স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও নগর বঙ্গবন্ধু গবেষণা সংসদের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান। স্মৃতি একাত্তর স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মো. কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আরমান আলী। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন, স্মৃতি একাত্তর স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সদস্য সচিব সাইমা খাতুন বিথী।
মহিষবাথান আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়: সকালে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, প্রধান শিক্ষক মাহাবুব-উল-আলম। প্রধান অতিথি ছিলেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।
ভোলানাথ বিশ্বেশ্বর হিন্দু অ্যাকাডেমি: বই বিতারণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহা. মোকবুল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ২২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল হামিদ সরকার টেকন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন, প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্র নাথ সরকার। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ডাবলু সরকার, সুমন কুমার রায় প্রমুখ।
ইন্ডিপেনডেন্ট স্কুল: নগরীর ইন্ডিপেনডেন্ট স্কুলে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার স্কুলে বই বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমনের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্ডের দক্ষিণ আওয়ামীলীগ সভাপতি রেজাউল হক মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম, শাহজাহান আলী, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক, সরকারি পিএন স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রিজিয়া বেগম, অধ্যক্ষ মজিবুর রহমান প্রমুখ।
কাঁকনহাট মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় : গোদাগাড়ীর কাঁকনহাট পৌরসভার কাঁকনহাট মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গতকাল বেলা ১১টায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে। কাঁকনহাট পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মজিদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ করনে। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ী উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শহিদুল ইসলাম ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা খাতুনসহ বিদ্যালয়ে সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকবৃন্দ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ