স্থবির রাসিকের আবাসিক প্রকল্পের কাজ

আপডেট: নভেম্বর ৯, ২০১৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) পর স্বতন্ত্র আবাসিক প্রকল্প গড়ার উদ্যোগ নেয় রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক)। নগরীর তেরখাদিয়া ও চকপাড়া সংলগ্ন এলাকা নিয়ে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সংবলিত দুটি স্যাটেলাইট টাউন প্রকল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়। এনিয়ে বড় প্রকল্পও হাতে নেয়  নগর সংস্থা। এরপর শুরু হয় প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ। কিন্তু নানা ধরনের জটিলতার কারণে প্রকল্পটি স্থবির হয়ে পড়েছে।
রাসিক সূত্র জানায়, ওই দুটি আবাসিক এলাকার মধ্যে তেরখাদিয়া সংলগ্ন আবাসিক এলাকাটির আয়তন হবে ২০০ একর। নগরীর তেরখাদিয়া, হড়গ্রাম ও বাজেসিলিন্দা এলাকা নিয়ে গড়ে উঠবে ওই এলাকা। এছাড়া চকপাড়া এলাকায় গতে তোলা হবে ১৬৭ একরের আরো একটি স্যাটেলাইন টাউন। সব মিলিয়ে এ দুই প্রকল্পে ব্যায় হবে অন্তত ৫০০ কোটি টাকার বেশি।
পরিকল্পিত এ দুই আবাসিক এলাকায় থাকবে রাস্তা, জলাশয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, খেলার মাঠসহ সব ধরনের নাগরিক সুবিধা। সব মিলিয়ে এ দুই আবাসিক এলাকায় থাকবে অন্তত সাড়ে ৩ হাজার প্লট।  সুলভ মূল্যে এ সব প্লট কিনতে পারবেন নাগরিকরা।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এরই মধ্যে ওই দুই আবাসিক এলাকার ভূমি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এখন রয়েছে ভূমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন ও মডেল প্রণয়নের কাজ। ২০১১ সালে সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের সময় নেয়া এ প্রকল্পটি এখন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে রয়েছে বলে জানান প্রধান প্রকৌশলী।
এ বিষয়ে রাসিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র নিযাম উল আযীম জানান, জনসংখ্যার চাপে ধীরে ধীরে শহর সংকুচিত হয়ে আসছে। তাই সীমিত সুযোগ সত্ত্বেও তারা আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরায়ন করতে চান। এ দুই আবাসিক এলাকায় মিলবে আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা। দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলা হবে পুরো এলাকা। একারণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নেয়া হবে। কিন্তু সম্প্রতি বিভিন্ন জটিলতার কারণে প্রকল্পের কাজ স্থবির হয়ে পড়ছে। চেষ্টা করা হচ্ছে, কাজটি আবারো দ্রুত শুরু করার।