স্বাধীনতাবিরোধীরা সাত মার্চের তাৎপর্য ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল ।। আলোচনা সভায় বক্তারা

আপডেট: মার্চ ৮, ২০১৭, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক



ঐতিহাসিক সাত মার্চের আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ঐতিহাসিক সাত মার্চের তাৎপর্যকে স্বাধীনতাবিরোধীরা বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্র করে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তারা শুধু বঙ্গবন্ধুর ভাষণকেই কালিমালিপ্ত করেনি, তারা বঙ্গবন্ধুর চরিত্রের ওপরও কালিমালিপ্ত করেছিল। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ তা মেনে নেয়নি। ভুলে যায়নি বঙ্গবন্ধুর অবদানকে। এইজন্য স্বাধীনতাবিরোধীরা এখন আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক সাত মার্চ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনায় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। সভাপতিত্ব করেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও নগর সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। পরিচালনা করেন, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার। বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নূরুল ইসলাম ঠান্ডু, নগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি শাহিন আক্তার রেণী, মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, নওশের আলী।
প্রধান অতিথি আসাদুজ্জামান খান বলেন, বঙ্গবন্ধু ৫২’র পর থেকেই স্বাধীনতার কথা চিন্তা করেছিলেন। তার প্রত্যেকটি কর্মসূচি স্বাধীনতার পথকেই ইঙ্গিত করতো। এইজন্য তিনি বিভিন্ন দাবিদাওয়াভিত্তিক কর্মসূচি দিতেন। এরই প্রেক্ষিতে সাত মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণ এসেছে। এই ভাষণ পৃথিবীর সেরা ভাষণগুলোর একটি। অথচ স্বাধীনতাবিরোধীরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অপপ্রচার চালিয়েছেন। ইতিহাসকে ভুলভাবে ব্যাখা করেছিলেন। যারা ইতিহাসকে ভুলভাবে ব্যাখা করেছে তারা ধিকৃত হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাত মার্চের ভাষণ আমার খুব কাছ থেকে শোনার অভিজ্ঞতা হয়েছিল। ভাষণ দেওয়ার আগে অনেকেই তাকে অনেক কথা বলেছিলেন। কিন্তু তিনি যখন ভাষণ দিতে গেলেন কারো কথাই বললেন না। ১৯ মিনিট ভাষণ দেন। ওই ১৯ মিনিট তিনি হৃদয়ে যা ধারণ করেছিলেন তাই বলেছিলেন।
এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বলেই, দেশ স্বাধীন হয়েছে। তার নেতৃত্ব জনগণ মেনে নিয়েই দেশের তরে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। অথচ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কত অপপ্রচার। স্বাধীনতাবিরোধীরা বঙ্গবন্ধুকে সবসময় কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছে। অথচ সেই স্বাধীনতাবিরোধীরা এখন আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ লাখো বছর টিকে থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নূরুল ইসলাম ঠান্ডু তার বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। শাহিন আক্তার রেণী মাদকের ভয়াবহ থাবা থেকে রাজশাহীবাসীকে বাঁচানোর জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আহ্বান জানান।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ