‘স্বাভাবিক আয়ুর’ কাছাকাছি এইচআইভি রোগিরা

আপডেট: মে ১৩, ২০১৭, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী দি ল্যানসেট-এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, এইচআইভি চিকিৎসায় নতুন ওষুধ আসায় তরুণ রোগিরা স্বাভাবিক আয়ুর কাছাকাছি আয়ু পেতে চলেছেন।
এতে আরো বলা হয়েছে, ২০ বছর বয়সি আইচআইভি পজেটিভ রোগিদের মধ্যে যারা ২০১০ সালে অ্যান্টিরিট্রোভাইরাল থেরাপি নেয়া শুরু করেছে, তাদের আয়ু ১৯৯৬ সালে প্রথম যারা থেরাপি নিয়েছেন, তাদের তুলনায় ১০ বছর বেশি হচ্ছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, আক্রান্ত হওয়ার শুরুতেই চিকিৎসা নেয়া এইচআইভি রোগিদের দীর্ঘ ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবন লাভের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এইচআইভি রোগিদের নিয়ে কাজ করা দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, এখনো অনেক মানুষ আছে, যারা জানেই না তাদের শরীরে কী রোগ বাসা বেঁধেছে। উন্নয়নশীল বিশ্বে এ বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে সত্য, কারণ এসব দেশে রোগিরা সহজে চিকিৎসা নিতে পারে না এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ পায় না।
এ গবেষণাপত্রের ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখকরা দাবি করেছেন, নতুন ওষুধের সামান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণে এইচআইভি চিকিৎসায় অভাবনীয় সাফল্য এসেছে এবং নতুন ওষুধ মানবদেহে বিস্তার থেকে ভাইরাসকে প্রতিহত করতে সক্ষম। এ ছাড়া নতুন ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করা ভাইরাসের জন্য দুরুহ হয়ে পড়েছে। অর্থাৎ ভাইরাসের চেয়ে ওষুধের শক্তি বেড়েছে।
পরীক্ষণ পদ্ধতির উন্নয়ন, প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের প্রসার ও রোগিদের স্বাস্থ্য সমস্যায় ভালো চিকিৎসার কারণে এইচআইভি চিকিৎসায় সাফল্য এসেছে।
তবে এখনো অনেক রোগি প্রত্যাশিত আয়ু পাচ্ছেন না- বিশেষ করে সিরিঞ্জের মাধ্যমের ইনজেকশন নেয়ায় যাদের শরীরে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে, সেসব রোগিদের আয়ু চিকিৎসা নেয়ার পরও প্রত্যাশার চেয়ে কম হচ্ছে।
অ্যান্টিরিট্রোভাইরাল থেরাপি তিন বা তার চেয়ে বেশিসংখ্যক ওষুদের সমন্বয়ে তৈরি, যা শরীরে এইচআইভির (হিউম্যান ইমুনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস) বিস্তার রোধ করে।
গবেষণাপত্রে বেশ কিছু রোগীর চিকিৎসায় সাফল্য সম্পর্কে মূল্যায়ন করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র : বিবিসি অনলাইন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ