স্বামীর থেকে জোরে হাঁটার ‘শাস্তি’, ডিভোর্স স্ত্রীকে

আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০১৭, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


হাঁটার সময় কোনওভাবে স্বামীর থেকে কিছুটা এগিয়ে গিয়েছিলেন স্ত্রী। এই ছিল নারীর অপরাধ। তার জেরে একেবারে বিবাহ-বিচ্ছেদ। আজব ঘটনা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াধে। স্বামীর দাবি তিনি অনেকবার স্ত্রীকে থামতে বলেছিলেন। কথা না শোনায় বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত নেন। দুনিয়ার কাছে অদ্ভুত মনে হলেও সৌদি আরবে ছুতোয়-নাতায় এখন ডিভোর্সের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
পশ্চিমের এই দেশে কথায় কথায় এখন বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা। রোজ অন্তত ১২৭টি ডিভোর্সের মামলা হয় সৌদিতে। রিয়াধের ঘটনা তেমনই একটি। স্থানীয় সূত্রে খবর, হামজা আবদুল্লার সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছরের দাম্পত্য আরিফা আখতারের। তবে বেশ কিছুদিন ধরে তাদের বনিবনা হচ্ছিল না। সম্প্রতি এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলেন ওই দম্পতি। বাড়ির অশান্তি দ্রুত রাস্তায় পৌঁছায়। একসঙ্গে ঘর থেকে বেরলেও পথে খানিকটা এগিয়ে যান আরিফা। আবদুল্লার দাবি কয়েকবার হাঁকডাক করলেও স্ত্রী পিছিয়ে আসেননি। উলটে হনহনিয়ে এগোতে থাকেন। ভরা রাস্তায় সকলের সামনে এই ঘটনায় আঁতে ঘা লাগে আবদুল্লার। ঠিক করেন আর নয়, উচিত শিক্ষা দেবেন স্ত্রীকে। যার ফলশ্রুতি ডিভোর্স।
আবদুল্লা-আরিফার ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। নানা অছিলায় বিবাহ-বিচ্ছেদের ঘটনা সৌদি আরবে এখন ক্রমবর্ধমান। ছোটখাটো সমস্যা থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া এখানে কোনও বিষয়ই নয়। সম্প্রতি সৌদি আরবের জেড্ডায় এক মহিলা খাবার দিতে দেরী করেছিলেন। এই অপরাধে স্বামী তাঁকে ছেড়ে দিয়েছিলেন। সৌদির আর এক বিখ্যাত শহর মক্কায় এক নববধূ মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে বিশেষ একটি অলঙ্কার পরেছিলেন। যা অপছন্দ হওয়ায় স্বামী ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন। রিয়াধের এক ম্যারেজ অফিসার জানিয়েছেন, গত ২ বছরে দেশে বিবাহ-বিচ্ছেদের সংখ্যা মারাত্মক হারে বেড়েছে। তার মতে নবদম্পতির মধ্যে ধৈর্য্যের বড্ড অভাব। চাওয়া-পাওয়ার মধ্যে ভারসাম্য রাখতে না পারার জন্য দ্রুত সংসার ভেঙে যাচ্ছে। তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ