বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

স্মৃতিবিজড়িত রাজশাহীতে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ কে স্বাগতম

আপডেট: November 30, 2019, 1:04 am

ড. মোহাম্মাদ আজিবার রহমান


আজ ৩০ নভেম্বর। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১তম সমাবর্তন। সমাবর্তন অর্থ হচ্ছে ‘এক সাথে মিলিত হওয়া’। ল্যাটিন ভাষা কনভোকেয়ার (convocare)। একদল মানুষ কোনো নির্দিষ্ট (একাডেমিক) উদ্দেশ্যকে সানে রেখে একসাথে মিলিত হওয়াকে সমাবর্তন বলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাজীবন শেষে মূল সনদপত্র দেয়া হয় সমাবর্তনের মাধ্যমে। সমাবর্তনের মধ্যদিয়ে শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসেছে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা। সমাবর্তনের পোশাক ‘গাউন’ ‘ক্যাপ’ পরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা। এবারের সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করেছেন ২০১৫ ও ২০১৬ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পিএইচডি, এমফিল, স্নাতকোত্তর, এমবিবিএস, বিডিএস ও বিভিএম ডিগ্রি অর্জনকারীগণ। ক্যাম্পাসের সোনালী দিনের সতেজতায় নিজেকে রাঙিয়ে নিচ্ছেন সবাই। স্মৃতিবহুল দিন। নিজের সারা জীবনের অর্জনের স্বীকৃতি প্রাপ্তির দিন। এ দিনটি জীবনের আলাদা একটি অধ্যায়। তাইত উল্লাস, উচ্ছ্বাসের আালোকছটা আর বাঁধভাঙ্গা আনন্দ। ছবি আর সেলফি তোলার মহাযজ্ঞে মেতে উঠেছেন সবাই। বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজশাহীজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। হাজারও শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে মতিহারের সবুজ চত্বর উৎসব মুখর হয়ে উঠেছে। হাসি আনন্দ আর আড্ডায় চিরচেনা ক্যাম্পাসে আনন্দের বন্যা বইছে। সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করবেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে ৮ম সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করে সনদ গ্রহণের সৌভাগ্য আমারও হয়েছিল।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি এর আগেও বহুবার রাজশাহীতে এসেছেন। এখানে তাঁর অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দশম সমাবর্তনে এসে তিনি তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্মৃতি রোমন্থন করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশের অন্যতম স্থপতি জাতীয় নেতা শহিদ এএইচএম কামার্জ্জুামানের সাথে তাঁর ঘনিষ্ট সম্পর্কের কথা বলতে ভুলে যাননি মহামান্য রাষ্ট্রপতি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁরা এক সাথে থেকেছেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নানা পরামর্শ করেছেন, ভারতের বিভিন্ন স্থানে ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন, সেসব লোমহর্ষক স্মৃতি এখনো তাঁকে শিহরিত করে। কিন্তু আজ সেই মহান জাতীয় নেতা বেঁচে নেই। বিশ্বাসঘাতক, বেঈমান, বাংলার মীর জাফর খন্দকার মোশতাকের নির্দেশে তাঁকে জেলখানার অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। ২০১৮ সালের ২৯ সেপ্টে¤র শনিবার বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দশম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় নেতা শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান হেনাকে স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘রাজশাহীর সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি। এখানে জাতীয় নেতা শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান হেনার সঙ্গে আমি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছি। তিনি মেঘালয়ে আমার সঙ্গে পাঁচ/ছয়দিন ছিলেন। আমার অনেক কিছু মনে পড়ে। মেঘালয়ে আমরা যখন যুদ্ধের বিভিন্ন ক্যাম্প পরিদর্শন করছিলাম তখন প্রায়ই আমাদের বিভিন্ন জায়গায় থাকতে হত। একটি ছোট কক্ষে সিঙ্গেল বেডে দু’জনকে আড়াআড়ি করে থাকতে হত। আমি কিছুটা চিকন-চাকন ছিলাম, হেনা ভাই মোটাসোটা ছিলেন। আমরা ঘুমালেই ২-৩ মিনিট পর হেনা ভাই এমন নাক ডাকা শুরু করতেন তখন আর ঘুমের কাছে যাওয়া সম্ভব হত না। আর তিনি ঘুমে নড়াচড়া করলে প্রায়ই বিছানা থেকে ফ্লোরে পড়ে যেতাম। আজ তা মনে পড়ে।’
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, ‘আমি যখন ক্লাস এইট থেকে নাইনে উঠি তখন পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ হয়। এতে আমার বাবা খুব বকাঝকা করেছিলেন। পরে রাগ করে টিকেট ছাড়াই ট্রেনে করে সারা বাংলাদেশ ঘুরে বেড়িয়েছি। ওই সময় আমি রাজশাহীতেও এসেছিলাম। তখন রাজশাহীতে ঘোড়ার গাড়িকে টমটম বলত। ওই টমটমে চড়ে আমি রাজশাহী এসে দু’দিন ঘোরাঘুরি করেছি।’ উল্লেখ্য যে, রাজশাহীর মানুষের যাতায়াতের জন্য এককালে প্রধান মাধ্যম ছিল ঘোড়া টানা ‘টমটম’ গাড়ি। তাই টমটমের শহর নামেই পরিচিতি পেয়েছিল পদ্মপাড়ের শহর রাজশাহী। ঐতিহ্যবাহী রাজশাহীর ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে টমটম। জানা গেছে, দেশ স্বাধীন হওয়ার আগেও রাজশাহীতে ৭শ’ টমটম গাড়ি ছিল। তবে বর্তমানে মাত্র পাঁচটি টমটম গাড়ি রয়েছে। অধিকাংশ সময় টমটম গাড়িগুলো সরকারি পিএন উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। জানা যায়, ‘৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেক কোচোয়ান (টমটম চালক) শহিদ হয়েছিলেন।
সামরিক শাসনামলে রাজবন্দি হিসেবে রাজশাহী জেলে থাকার স্মৃতিচারণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, রাজশাহীতে আরেকবার আসা হয়েছিলো ১৯৭৬ সালে আমি যখন জেলে ছিলাম। আমাকে ময়মনসিংহ জেল থেকে ট্রান্সফার করে কুষ্টিয়া ও সেখান থেকে রাজশাহী জেলে ট্রান্সফার করা হয়। তখন আমি সাত মাস জেলে ছিলাম। রাজশাহীর পদ্মার পাড়ের যত বালি আছে তার অর্ধেক জেলখানার বিছানায় পড়ত। ঘুমানোর সময় বিছানা পরিষ্কার করে ঘুমাতে হত। দেশ ও জাতির উন্নয়নে রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিকল্প নেই উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একে অন্যের পরিপূরক। তাই গণতন্ত্রের ভিতকে মজবুত করতে হলে দেশে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে। আর সেই নেতৃত্ব তৈরি হয় ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমেই। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী স্বার্থের কোনো স্থান থাকবে না। ছাত্র রাজনীতির নেতৃত্ব থাকবে ছাত্রদের হাতে। লেজুড়বৃত্তি ও পরনির্ভরতার কোনো জায়গা থাকবে না। তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকা এবং এগিয়ে চলার বিষয়টি মাথায় রেখে আমাদের শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার মান নিয়ে কেউ যাতে প্রশ্ন তুলতে না পারে তাও নিশ্চিত করতে হবে। উচ্চশিক্ষা যাতে সার্টিফিকেট সর্বস্ব না হয় কিংবা শিক্ষা যাতে বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত না হয় তা দেশ ও জাতির স্বার্থে সম্মিলিতভাবে নিশ্চিত করতে হবে। এটি করতে না পারলে দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়বে এবং বিশ্ব প্রতিযোগিতায় আমরা পিছিয়ে পড়ব।’
সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করা গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সব সময় নৈতিক মূল্যবোধ, বিবেক ও দেশপ্রেম জাগ্রত রাখবে। কখনো অন্যায় ও অসত্যের কাছে মাথানত করবে না। মনে রাখতে হবে সমাবর্তন শিক্ষার সমাপ্তি ঘোষণা করছে না বরং উচ্চতর জ্ঞানভাণ্ডারে প্রবেশের দ্বার উন্মোচন হয়েছে। এর আগে ছাত্রীদের জন্য ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনা হল’ ও ছাত্রদের জন্য ‘শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান হল’ নামে দু’টি দশ তলা বিশিষ্ট আবাসিক হলের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর এম আবদুস সোবহান, উপ-উপাচার্য প্রফেসর আনন্দ কুমার সাহা ও প্রফেসর মো. চৌধুরী জাকারিয়া, কোষাধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান আল-আরিফ, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. এমএ বারীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ইতোমধ্যে হল নির্মাণের স্থানও নির্বাচন করেছে বিশবিদ্যালয় প্রশাসন। বেগম খালেদা জিয়া হলের পূর্বপাশে নির্মাণ করা হবে ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনা হল’। অন্যদিকে শেখ কামাল স্টেডিয়ামের পূর্ব দিকে জিমনেশিয়ামের পাশে ‘শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান হল’ নির্মিত হবে। উল্লেখ্য যে, ২০০৯ সালের ২৩ অক্টোবর দৈনিক সানসাইন পত্রিকায় ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আরো হল চাই’ এবং ২ ডিসেম্বর ‘দৈনিক সোনালী সংবাদ পত্রিকায় ‘রাবি শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ’ শিরোনামে আমার দু’টি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। দু’টি লেখাতেই আমি উল্লেখ করেছিলামÑ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের কীর্তিমান ব্যক্তিদের অনেকের নামে হল নির্মিত হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও রাজশাহীর কৃতী সন্তান মহান জাতীয় নেতা শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের নামে কোনো হল নেই। কাজেই এই দুই মহান ব্যক্তিত্বের নামে দু’টি হল নির্মাণের ব্যবস্থা করা হোক। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনের নিকট জোর দাবি করছি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর এম আব্দুস সোবহান বর্তমানে উপাচার্যের দায়িত্বে থাকায় আমরা এ ব্যাপারে খুবই আশাবাদি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট দাবিটি উত্থাপন করলে তা পূরণ হবে বলে আমদের দৃঢ় বিশ্বাস। এ ব্যাপারে মাননীয় সিটি মেয়র জনাব এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন এবং রাজশাহী মহানগর থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য জনাব ফজলে হোসেন বাদশাহর নিকট থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’ আনন্দের বিষয় হলো, আজ ১৩ বছর পর আমার দাবিকৃত সেই দু’টি হল যখন নির্মাণ হতে যাচ্ছে তখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম আব্দুস সোবহান, রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য জনাব ফজলে হোসেন বাদশা। কী চমৎকার মিল। এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বিরল।
রাজশাহীর সাবেক জেলা প্রশাসক এস এম আব্দুল কাদের বলেছিলেন, ২০১৭ সালের পহেলা নভেম্বর রাষ্ট্রপতি রাজশাহী সফরে আসেন। ওই সময় নির্ধারিত কর্মসূচির বাইরে তিনি রাজশাহীর পদ্মার পাড়ে কিছুটা সময় কাটান। নৌ ভ্রমণেও বের হন। এছাড়া রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শনে যাবার কথা ছিল মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এর। তাই আগাম প্রস্তুতি হিসেবে পদ্মার টি-গ্রোয়েন এলাকা ও কারাগারের খাপড়া ওয়ার্ডটি পরিদর্শনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। কিন্তু সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসায় তা পরিদর্শনে যেতে পারেন নি রাষ্ট্রপতি। উল্লেখ যে, ১৯৫০ সালের ২৪ এপ্রিল সোমবার রাজশাহী কেন্দ্রিয় কারাগারের খাপড়া ওয়ার্ডে গুলি চালিয়ে কমিউনিস্ট পার্টির সাত কর্মীকে হত্যা করে পাকিস্তানি সিপাহী। কারাগারের ভেতরে প্রাচীর ঘেরা খাপড়া ওয়ার্ড। কারাগারের ভেতর কারাগার। ওয়ার্ড মানে নির্দিষ্ট চুতষ্কোণাকৃতি একখানা বেশ বড় ঘর। টালির ছাউনি থাকায় রাজশাহীর আঞ্চলিক ভাষায় বলা হত খাপড়া। খাপড়া ওয়ার্ডে ওই সময় বন্দিও সংখ্যা ছিল ৪১ জন। এই ওয়ার্ডেই ন্যায়সংগত দাবি আদায়ের আন্দোলন স্তব্ধ করতে গুলি চালায় পাকিস্তানি সিপাহী। সেখানেই ঝরে পড়ে ছয়জন কমরেডের জীবন।
মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে আমরা স্বাগত জানাই। তাঁর শুভাগমনে ধন্য রাজশাহীবাসী। নিঃসন্দেহে তাঁর এই আগমনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে এবং অবহেলিত রাজশাহীর সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিরন্তন প্রচেষ্টার ফলেই এই বিশাল আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। একজন সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে আজকের সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থী, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
লেখক: বিভাগীয় প্রধান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ এবং প্রক্টর, নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী

[email protected]