হাঙরের সঙ্গে খাঁচায় ২০ সেকেন্ড!

আপডেট: ডিসেম্বর ১৩, ২০১৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



অবিশ্বাস্য এক কা- ঘটালেন চ্যান মিং নামে এক চীনা স্কুবা ডাইভার। কাছ থেকে হাঙর দেখবেন বলে একটি খাঁচায় করে পানির নিচে নেমেছিলেন। শুরুতে সব ঠিকই ছিল কিন্তু কিছুক্ষণ পর হঠাৎ একটি হাঙর ঢুকে পড়ে তার খাঁচায়। না, কিছুই হয় নি ওই স্কুবা ডাইভারের, মাত্র ২০ সেকেন্ড হাঙরটি খাঁচার ভেতরে থেকে বের হয়ে যায়।
চ্যান মিং একটি বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। তবে অবসর সময়ে তিনি স্কুবা ড্রাইভিংয়ের প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। গেল মাসে মিংসহ ২০ জন মেক্সিকোর গুয়াডালুপে দ্বীপে পাঁচ দিনের সফরে গিয়েছিলেন। সফরের মূল উদ্দেশ্য কাছ থেকে গ্রেট হোয়াইট শার্কদের চলাফেরা দেখা।
অবিশ্বাস্য সেই কা- করতেই চ্যান পানির নিচের একটি খাঁচায় ঢুকেছিলেন। তারপর হাঙরকে খাঁচার কাছাকাছি আনতে ডাঙায় থাকা এক ব্যক্তি একটি দ-ের মাথায় টুনা মাছ লাগিয়ে হাঙরের সামনে ধরেছিলেন। হাঙর সেই মাছের আকর্ষণে সেটি ধরার চেষ্টা করে কিন্তু ডাঙায় থাকা ব্যক্তিটি দ-কে টেনে খাঁচার কাছে নিয়ে আসে ফলে হাঙরও খাঁচার একেবারে কাছাকাছি চলে আসে। এভাবেই পর্যটকদের হাঙর দেখানো হয়।
কিন্তু মিংয়ের ক্ষেত্রে ঘটেছে একটু ব্যতিক্রম ঘটনা। হাঙরটি খাঁচা ভেঙে আচমকা ভেতরে ঢুকে পড়ে আর সেই দৃশ্য দেখে ডাঙায় থাকা মানুষরা ভয় পেয়ে যান। তাদের মধ্যে একজন তাড়াতাড়ি করে খাঁচার উপরের অংশটি খুলে দেন। ফলে ২০ সেকেন্ড পর চেষ্টা করে হাঙরটি খাঁচা থেকে বের হয়ে আসে। তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে হাঙরটির শরীরের কিছু অংশে আঘাত লাগে তবে সেটি মারাত্মক কিছু নয় বলে পরবর্তীতে জানা গেছে।
এদিকে হাঙরটি বের হয়ে যাওয়ার পর সবাই খাঁচায় থাকা মিংয়ের খোঁজে উৎকণ্ঠিত হয়ে পড়েন। তবে আশার কথা, মিং সুস্থ অবস্থায় পানি থেকে উঠে আসেন।
নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মিং বলেন, ‘হাঙরের সঙ্গে এক খাঁচায় থাকতে আমার ভয় লাগেনি। সত্যি বলতে কী, সেই সময় ভয় পাওয়ার মতো সময়ও ছিল না।’ এই ঘটনায় তিনি যে আসলেই ভয় পাননি সেটি বিশ্বাসযোগ্য কারণ পরেরদিনই তিনি আবার হাঙর দেখতে পানিতে নেমেছিলেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ