হাঙ্গেরির গণভোটে শরণার্থী কোটার বিরুদ্ধে রায়

আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক শরণার্থী পুনর্বাসন কোটা নিয়ে হাঙ্গেরির গণভোটে কোটা প্রত্যাখান করে জনরায় এসেছে। রোববার হাঙ্গেরিতে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। যদিও এদিন ভোটার উপস্থিতি খুবই কম ছিল। কিন্তু যারা ভোট দিয়েছেন তাদের প্রায় সবাই কোটার বিপক্ষে রায় দিয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। হাঙ্গেরি সরকার ইইউ-র চাপিয়ে দেওয়া শরণার্থী কোটা মেনে না নেয়ার ঘোষণা দেয়ার পর এ গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। রোববার প্রায় ৯৮ শতাংশ ভোট আবশ্যিক শরণার্থী কোটা বাতিলের পক্ষে পড়েছে।
যদিও গণভোটের এই রায় কার্যকর হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ, এদিন মোট ভোটারের মাত্র ৪৩ শতাংশ ভোট দিয়েছে। রায় কার্যকরের জন্য ৫০ শতাংশ ভোট প্রয়োজন। তবে কম ভোট পড়লেও গণভোটের রায়কে সরকারের বিজয় বলে বর্ণনা করেছেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান।
ভোটের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “১৩ বছর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেয়ার বিষয়ে হাঙ্গেরির নাগরিকরা গণভোটে ভোট দিয়েছিল।
আজ ইউরোপীয় একটি বিষয়ে তারা আবারও উচ্চকণ্ঠে আওয়াজ তুলেছে।” “ভোটে আমরা অসামান্য ফল পেয়েছি।” ইইউ-র নীতি নির্ধারকদেরকে ভোটের এ ফল আমলে নেয়ার আহ্বান জানিছেন অরবান। বিবিসি’র খবরে বলা হয়, ভোটের ফল কার্যকর করতে তিনি ‘হাঙ্গেরির সংবিধান পরিবর্তনের’কথাও বলেছেন।- বিডিনিউজ