হাত নাড়তে পারবেন না রাহুল! কংগ্রেসকে ৭ শর্তে বীরভূমে ‘ন্যায় যাত্রা’র অনুমতি

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৪, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক :শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ায় প্রাথমিক ভাবে রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’য় পুলিশের অনুমতি মেলেনি। তা নিয়ে দীর্ঘ টালবাহানা ও লাগাতার আলোচনার পর শেষে পুলিশের মৌখিক অনুমতি মিলেছে বলে দাবি করেছে কংগ্রেস সূত্র। এর পরেই মুর্শিদাবাদের কান্দি থেকে বীরভূমের উদ্দেশে যাত্রা করেছে রাহুলের ন্যায় যাত্রা। কংগ্রেস মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায় বলেন, ‘‘পুলিশই নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে আমাদের।’’ যদিও মুর্শিদাবাদ বা বীরভূম পুলিশের পক্ষে এ ব্যাপারে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।

কংগ্রেস সূত্রে জানা যায়, পুলিশের পক্ষে লিখিত অনুমতি দেয়া হয়নি। মৌখিক অনুমতি দিয়েছে। বেঁধে দেয়া হয়েছে কিছু শর্তও। কংগ্রেসের ওই সূত্রের দাবি, পুলিশের প্রথম শর্ত: বীরভূম ও মুর্শিদাবাদের বাকি অংশ যাত্রার সময় গাড়ি থেকে বা গাড়ি থেকে নেমে জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে পারবেন না। দ্বিতীয়: জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া কনভয় কোথাও দাঁড় করানো যাবে না। তিন: রাহুলের কনভয়ে সর্বোচ্চ ৫টি গাড়ি থাকবে। এ প্রসঙ্গে এক কংগ্রেস নেতার বক্তব্য, ‘রাহুলজির কনভয়ে অনেক নিরাপত্তারক্ষী আছেন। তাঁদের জন্যই তো ৫ গাড়ি লাগে। পুলিশের এই শর্তের কোনো যৌক্তিকতা নেই।’

কংগ্রেস নেতারা জানায়, পুলিশের দেয়া ৪র্থ শর্ত হল: রাহুলের যাত্রায় ‘সঙ্গী’ কংগ্রেস কর্মীরা দড়ি দিয়ে রাস্তার দু’পাশ আটকাতে পারবে না। কোনোভাবে যাতে পথ অবরুদ্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। পঞ্চম শর্ত হল: রাহুলের যাত্রারুটে যান চলাচল পুলিশই নিয়ন্ত্রণ করবে। তাতে নাক গলাবেন না কংগ্রেস নেতার নিরাপত্তারক্ষীরা। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কংগ্রেস কর্মীরা পুলিশকে সব ধরনের সহায়তা করবে।

ষষ্ঠ শর্ত: রাহুলকে যদি জরুরি পরিস্থিতিতে গাড়ি থেকে নামতে হয়, তা হলে সর্বোচ্চ ৩ জন তাঁর সঙ্গে নামতে পারবেন। সপ্তম শর্ত হল: রাহুলের যাত্রাপথে কোনো মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্র থাকলে সচেতন থাকতে হবে। পরীক্ষা শেষ হলে আশপাশেই কোথাও যাত্রা থামিয়ে দিতে হবে। পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে গেলে তার পর আবার যাত্রা শুরু করা যেতে পারে। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের যাতে কোনোভাবে অসুবিধায় পড়তে না হয়, তা খেয়াল রাখতে হবে।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

Exit mobile version