হামাসকে কৌশলে গাজায় বিচ্ছিন্ন করছে ইজরায়েলি সেনা?

আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০২৩, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ

বোমার সঙ্গে প্রচারপত্র রাশি রাশি!

সোনার দেশ ডেস্ক:


কতকটা একই কৌশল নিয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় ঢাকার আকাশে। ভারতীয় সেনা এবং বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধাদের ‘চক্রব্যূহে’ আটক পাক বাহিনীকে আত্মসমর্পণের ‘চরম সময়সীমা’ দিয়ে রাশি রাশি প্রচারপত্র ফেলা হয়েছিল। আর তাতে ফলও মিলেছিল হাতেনাতে। সময়সীমার মধ্যেই যৌথবাহিনীর সামনে আত্মসমর্পণ করেছিল পাক বাহিনী।

গাজায় হামাস বাহিনীকে ‘একঘরে’ করতে এ বার সেই কৌশলই কাজে লাগাচ্ছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা। দক্ষিণ গাজার বাসিন্দাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার জন্য বিমান থেকে রাশি রাশি প্রচারপত্র ফেলা হচ্ছে। সেই সঙ্গে চলছে ধারাবাহিক বোমাবর্ষণও। ভূমধ্যসাগর লাগোয়া প্যালেস্তেনীয় জনপদের বাসিন্দাদের সাময়িক আশ্রয় দেয়ার জন্য পড়শি মিশরের সঙ্গেও ইজরায়েল এবং পশ্চিমী দেশগুলির আলোচনা চলছে বলে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, বৃহস্পতিবার রাতেই ইজরায়েলের সেনা জাতিসংঘকে জানিয়েছে যে, তারা ২৩ লক্ষ প্যালেস্তেনীয় নাগরিকের আবাসভূমি গাজার অন্তত ১০ লক্ষ মানুষকে সরে যাওয়ার কথা বলেছে। মূলত দক্ষিণ গাজার বাসিন্দাদেরই এই ‘বার্তা’ দেয়া হয়েছে। সেখান থেকেই ইজরায়েলি স্থলসেনা অভিযান শুরু করতে চলেছে বলে অনুমান।

ইতিমধ্যেই নিয়মিত এবং সংরক্ষিত ব্যাটেলিয়নগুলির প্রায় আড়াই লক্ষ সেনাকে গাজা সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে। তারা অভিযান শুরু করলে যাতে অসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানি কম হয়, সেই উদ্দেশ্যেই এই প্রচারপত্র-কৌশল। পাশাপাশি, এই কৌশলে অসামরিক নাগরিকদের থেকে হামাস যোদ্ধাদের বিচ্ছিন্ন করা যাবে বলেও মনে করছে তেল আভিভ। কারণ হুঁশিয়ারির জেরে ইতোমধ্যেই কয়েক লক্ষ অসামরিক প্যালেস্তেনীয় নাগরিক তাঁদের ঘরবাড়ি ছেড়েছেন।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Exit mobile version