হার্ভির ধাক্কা সামলাতে ‘লাগবে’ ১৮০ বিলিয়ন ডলার

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৭, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


যুক্তরাষ্ট্রে হারিকেন হার্ভির ক্ষতি সামলে উঠতে পুনর্গঠনের পেছনেই ১৮০ বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে বলে মনে করছেন টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট।
তিনি বলেছেন, ২০০৫ সালে হারিকেন ক্যাটরিনার চেয়েও এবার বেশি ক্ষতি করে গেছে হার্ভি।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে,  যুক্তরাষ্ট্র সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের খরচের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যগুলোর ওয়াশিংটনের দিকে তাকিয়ে থাকা উচিৎ হবে না।
টেক্সাস ও প্রতিবেশী লুইজিয়ানায় ইতোমধ্যে ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন কাজ শুরু হলেও অনেক এলাকা থেকে এখনও পানি নামেনি।
বিবিসি জানিয়েছে, গত সপ্তাহে চার মাত্রার ঘূর্ণিঝড় হার্ভি হিউস্টনে আঘাত হানার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের পর প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট বন্যার কারণে আশ্রয় কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন ৪৩ হাজার মানুষ।
যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইতোমধ্যে পুনর্বাসন কাজের জন্য কংগ্রেসের কাছে ৭৮৫ কোটি ডালার চেয়েছে, যাকে গ্রেগ অ্যাবট কেবল ‘ডাউন পেমেন্ট’ বলছেন। এর আগে তিনি বলেছিলেন, ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী পুনর্বাসনে ১২৫ বিলিয়ন ডলার লাগতে পারে। তবে রোববার ওই অংক সংশোধন করে তিনি ১৮০ বিলিয়ন ডলারের কথা বলেন।
“আমার যতদূর মনে পড়ে ক্যাটরিনা ১২০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি করে গিয়েছিল। কিন্তু এবার যে পরিমাণ ঘরবাড়ি আর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আমার মনে হয় এবার আমাদের ১৫৯ থেকে ১৮০ বিলিয়ন ডলার লেগে যাবে।”
হোয়াইট হাউজ বলেছে, হার্ভির ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ঋণ নেওয়ার ও খরচের সীমা বাড়াতে হবে; আর কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া তা সম্ভব না।
আর ফেডারেল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির প্রধান ব্রক লং বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেটগুলোরও যে জরুরি প্রয়োজনের জন্য নিজস্ব তহবিল তৈরি করা দরকার, সেই শিক্ষা হার্ভি দিয়ে গেল।
বিবিসি লিখেছে, এই আলোচনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘূর্ণিদুর্গত মানুষের জন্য অপ্রত্যাশিত আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব এসেছে ভেনেজুয়েলা সরকারের কাছ থেকে।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোর্হে আরিয়াসা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও দুর্গত মানুষের জন্য আবাসন নির্মাণে তারা ৫ লাখ ডলার দিতে চান।
তিনি বলেছেন, ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানির সহযোগী সংস্থা সিটগো যুক্তরাষ্ট্রে তেল বেচে যে লাভ করেছে, সেখান থেকেই এ সাহায্য দেওয়া হবে।
গত মাসে ওই তেল কোম্পানির ওপরই করাকড়ি আরোপের নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ