হাসপাতারে রোগির স্বজন লাঞ্ছিত! ঘটনা তদন্ত করে দোষিদের শাস্তি দিন

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২২, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগির স্বজনকে পেটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। হাসপাতালে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা ওই ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। অবশ্য এ ধরনের অভিযোগ নতুন কিছু নয়- এর আগেও হাসপাতালে এমন অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু এসব অভিযোগের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানা নেই।
হাসপাতাল চত্বরে দালালদের দ্যেরাত্ম্য বহুল আলোচিত বিষয়। অভিযোগ করা হয়- ওইসব দালালদের সাথে আনসার সদস্যদেরও যোগসাজস থাকে। তবে ইদানিং হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম বেশ কমে এসেছে। অবশ্যই এটা কর্তৃপক্ষের নেয়া ব্যবস্থার কারণেইসম্ভব হয়েছে। আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে হাসপাতালের পরিবেশ বেশ উন্নত। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্য সৃষ্টিতে, রোগির চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহের ক্ষেত্রে রোগিবান্ধব পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। নিঃসন্দেহে এটা সুখবরই বটে। সেবাগ্রহিতারা এমন পরিবেশই প্রত্যাশা করেন। কিন্তু সেখানে দায়িত্বরত অনেকেই স্বপ্রণোদিত হয়ে, অতি-কৌতুহলি হয়ে কিংবা অসৎ উদ্দেশ্যে পরিবেশের বিঘ্ন ঘটায়। যা হাসপাতাল সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে ভুল তথ্য দেয়।
কী হয়েছিল রামেক হাসপাতালে? প্রতিবেদনের তথ্য মতে, বৃহস্পতিবার ঘটনার শিকার ভুক্তভোগি আব্দুল্লাহ আল মামুন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুর ওষুধ নিতে বাইরে আসেন। ওষুধ নিয়ে পুনরায় হাসপাতালে প্রবেশ করতে চাইলে আনসার সদস্যসহ ৬/৭ জন তাকে আটকায়। তিনি আনসার সদস্যদের জানান ভুল করে গেট পাস ভেতরেই রেখে এসেছেন। কিন্তু তারা জনাব মামুনকে ঢুকতে দিবেন না। এক পর্যায়ে আনসার সদস্যরা তাকে মারপিট করে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান হয়েছে। বিষয়টি অতি কৌতুহলের ফল- আবার এর মধ্যে অসৎ উদ্দেশ্য থাকাও অস্বাভাবিক কিছু নয়। হাসপাতালের পরিচালক অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হাসপাতালে নিয়ম-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে মানুষের সুনাম পাচ্ছেন। কিন্তু এ ধরনের ঘটনা হাসপাতালের সুনাম ও ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর। অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে সেদিনের ঘটনা খতিয়ে দেখা সঙ্গত হবে। যে বা যারাই এর সাথে জড়িত থাকুন না কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। শাস্তি দিতে হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ